সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিককে কনডেম সেলে রাখার অভিযোগে লিগ্যাল নোটিশ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্থানান্তর না হলে হাইকোর্টে রিট হরিপুরে পরীক্ষায় ফেলকরে ছাত্রের আত্মহত্যা তথ্য অধিদপ্তর শুধু মাইকিং অধিদপ্তরে পরিনত হয়েছে – সাংবাদিকদের একক অধিদপ্তরে রূপান্তরের দাবি সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচার দাবিতে কুমিল্লায় বিক্ষোভ-মানববন্ধন, সাগর-রুনী হত্যার বিচারও দাবি ঝিনাইদহে আটক সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুসহ দুই জনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি, কনডেম সেলে রাখার অভিযোগ ঝিনাইদহের সাংবাদিক অরিত্র কুন্ডুসহ দুই জনকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি – জামিন না মঞ্জুর রায়পুরে প্রতারণার অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি গণমাধ্যমের ওপর দোষ চাপিয়ে দেশের চলমান সংকট নিরসন করা সম্ভব নয় রাজস্ব ফাঁকির সংবাদ প্রকাশে মামলা – জামিন পেলেন দুই সম্পাদক বন্ধু মিলনমেলা ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান

আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাণ্ড,ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা কোঠায় চাকুরী!

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৩ Time View

মো.সোহেল রানা,জেলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি: চাচা-চাচিকে পিতা-মাতা সাজিয়ে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কোটায় প্রশাসন ক্যাডারে চাকরি গ্রহণের অভিযোগে কামাল হোসেন নামে একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

কামাল হোসেন বর্তমানে নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। তার বিরুদ্ধে আজ (বৃহস্পতিবার) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু।অভিযুক্ত, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৩৫ ব্যাচের কর্মকর্তা কামাল হোসেন বর্তমানে সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। তার বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি সুকৌশলে তার প্রকৃত পিতা-মাতার পরিবর্তে আপন চাচা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনের নাম ব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং চাকরি লাভসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করে আসছেন।

তবে তার প্রকৃত বাবা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবীয়া খাতুন মুক্তিযোদ্ধ নন জানিয়ে এজাহারে আরও বলা হয় ইতোপূর্বে এ বিষয়ে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পৃথকভাবে তদন্ত করে অভিযোগে সত্যতা পাওয়া যায়। মামলা তদন্তে মো. কামাল হোসনের ডিএনএ টেস্টেরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে এজাহারে বলা হয়েছে। মামলায় আসামির বিরুদ্ধে দ-বিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘প্রতিপক্ষ একটি গ্রুপ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা-বানোয়াট একটি অভিযোগ মন্ত্রণালয়ে এবং পরে হয়তো দুদকে জমা দিয়েছিল। ওই অভিযোগের বিপরীতে মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জমা দিয়েছি। শুনানিতেও অংশ নিয়েছি। আমার কোনো জাল নথিপত্র নেই। তারপরও কেন মামলা হলো সেটা আমারও প্রশ্ন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 Daily Darpan 24
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin