শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শরীয়তপুরে ৩ সাংবাদিকের পর এবার কুমিল্লা ও উত্তরায় ৬ সাংবাদিকের ওপর হামলা – বিএমএসএফের প্রতিবাদ ভ্যানচালক রাজুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে আসার আহ্বান নতুন তথ্য মন্ত্রীকে বিএমএসএফের শুভেচ্ছা হরিপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন, সফল মৎস্যচাষীদের বিশেষ সম্মাননা সাংবাদিক নেতা জিয়া উদ্দিন তৌহিদ গ্রেফতার; মুক্তির দাবি সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম ফুলপুরে অসহায় শাবানার পাশে বিএমএসএফের সদস্যরা সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন হরিপুরে সাপের কামড়ে ঘুমন্ত নারীর মৃত্যু মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কুমিল্লায় সাংবাদিক ইউনিয়নের মানববন্ধন

ফুলপুরে অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৬৮৪ Time View

তপু রায়হান রাব্বি, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ফুলপুর সাহাপাড়া(কদমতলী) হিন্দুপল্লীতে ২৭শে ফেব্রুয়ারি রোজ রবিবার রাত ৯টায় দিকে আগুনে লেগে দোকান সহ তিনটি বসতঘর পুড়ে ছায় হয়ে গেছে। এ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সাহাপাড়ার প্রদীপ ও সজীব দুই ভাই এলিট কম্পানির স্থানীয় ডিলার। বিভিন্ন কসমেটিক, চানাচুর, বাদাম, আচারসহ হরেক রকমের পণ্য রয়েছে এ কম্পানির। সাহাপাড়া তার বসতঘরের একটি রুমে এসব পণ্য রাখতেন। এ বসতঘরে হঠাৎ আগুন দেখে পরিবারের লোকজন নেভানোর চেষ্টা করেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করলে প্রচণ্ড ধোঁয়া আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় স্থানীয় এলাকাবাসী আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।

চায়ের দোকনদার অঞ্জন, প্রদীপ্ত, সজীব, ঝর্ণা রাণীর ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। প্রদীপ ও সজীবের ঘরে থাকা এলিট কোম্পানির প্রায় ১০ লাখ টাকার পন্য ছিল বলে জানান।

ঝর্ণা রাণী বলেন, আমার ঘরের আসবাবপত্র, গহনা সহ সব পুড়ে ছায় হয়ে গেছে। ঝর্ণা বলেন, আমার ছেলে অঞ্জন চা বিকি করে সংসার চালাতো। প্রদীপ ও সজীব দুই ভাই বলেন, নিজের জমানো টাকা সহ ধার-দেনা ও ঋণ করে এ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু করেছিলাম। আমাদের স্বপ্ন সব পুড়ে ছাই হয়ে গেল।

ভুক্তভোগীরা জানান প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানান, ২ ঘন্টা পর নিয়ন্ত্রণে আসেছে আগুন। ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ আগুনের সূত্রপাত। তবে কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনও বলা যাচ্ছে না।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি রাতের বেলায় আগুন নেভাতে অনেক সময় লেগে যায়। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা আক্ষেপ করে বলেন, ফায়ার সার্ভিসের অফিস হাতের কাছে থাকলেও আসতে দেরী হওয়ায় এ দরিদ্র পরিবারগুলোর মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। তাদের দাবি ফায়ার সার্ভিস দ্রুত সময়ে আসতে পারলে এমন ভয়াবহতা ও ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতেন ভুক্তভোগী পরিবার।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক চলে আসেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শীতেষ চন্দ্র সরকার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আতাউল করিম রাসেল, পৌরসভার মেয়র শশধর সেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামরুল হাসান কামু, মানবিক ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রকৌশলী মনিরুজ্জমানসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের লোকজন। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পরিবারকে নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শীতেষ চন্দ্র সরকার বলেন, অসহায় পরিবারের সাথে কথা বলে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 Daily Darpan 24
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin