শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শরীয়তপুরে ৩ সাংবাদিকের পর এবার কুমিল্লা ও উত্তরায় ৬ সাংবাদিকের ওপর হামলা – বিএমএসএফের প্রতিবাদ ভ্যানচালক রাজুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে আসার আহ্বান নতুন তথ্য মন্ত্রীকে বিএমএসএফের শুভেচ্ছা হরিপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন, সফল মৎস্যচাষীদের বিশেষ সম্মাননা সাংবাদিক নেতা জিয়া উদ্দিন তৌহিদ গ্রেফতার; মুক্তির দাবি সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম ফুলপুরে অসহায় শাবানার পাশে বিএমএসএফের সদস্যরা সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন হরিপুরে সাপের কামড়ে ঘুমন্ত নারীর মৃত্যু মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কুমিল্লায় সাংবাদিক ইউনিয়নের মানববন্ধন

কাস্টমস হাউস বেনাপোলে উত্কোচ ছাড়া ফাইল নড়ে না!

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১
  • ৫৮৫ Time View

মোঃখসরুনোমান সংগ্রাম, জেলা প্রতিনিধিঃ- পণ্য খালাশে সময়ক্ষেপণ, সিএন্ডএফ কমর্চারিদের সাথে দুর্ব্যবহার,ফাইল আটকিয়ে লাখ লাখ টাকা আদায়ের মহোৎসব চলছে বেনাপোল কাষ্টমসে। কাষ্টমসের এসব অনাচারের প্রতিবাদ করে লাইসেন্স সাময়িক স্থগিত হয়েছে অনেক মালিকের। আর কর্মচারিদের পারমিট বাতিল হচ্ছে হরহামেশা।

সিএন্ডএফ এজেন্টরা জানান, রাজস্ব জোগানে সিএন্ডএফ এজেন্টরা সহযোগী হলেও কতিপয় কর্মকর্তার সাথে সম্পর্ক সাপের নেউলের মত। লাইসেন্সিং বিধিমালার ভয় দেখিয়ে দিনের পর দিন ফাইল নিয়ে আসাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে যাচ্ছে কাস্টমসের কর্মকর্তারা। কথায় কথায় লাইসেন্স সাসপেন্ড এবং কর্মচারীদের কার্ড বাতিল করা ট্রাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে বেনাপোল কাস্টমস হাউসে। যদি কোন অনিয়ম হয় সে ক্ষেত্রে দু’পক্ষ দোষী হলেও শাস্তি ভোগ করে শুধু সিএন্ডএফ এজেন্টরা।অনিয়মের কারনে বছরে ১০ /২০ টা সিএন্ডএফ লাইসেন্স বাতিল হলেও একজন কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারী চাকুরিচ্যুত হয় না।

পণ্য খালাশের ফাইল নিয়ে কতিপয় কর্মকর্তার দরজার সামনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকাটা দুঃখজনক। কোন কোন কর্মকর্তা তাদের কক্ষে প্রবেশের অনুমতি নিয়ে বেশ বাড়াবাড়ি করেন। মালিক কর্মচারিদের সাথে তাদের ব্যবহারও পীড়াদায়ক । দীর্ঘদিন একই চেয়ারে বসে থাকার কারনে কর্মকর্তারা হয়ে উঠেছেন বেপরোয়া। সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ দফায় দফায় ডেপুটি কমিশনার শামীম হোসেন, ডেপুটি কমিশনার অনুপম চাকমা, সহকারি কমিশনার আন্জুমানারা’র নামে কমিশনার আজিজুর রহমান এবং অতিরিক্ত কমিশনার নেয়ামুল ইসলামের নিকট একাধিকবার অভিযোগ দিয়েও কোন ফল পাননি বরং উৎকচের পরিমান ফাইল প্রতি ৫ হাজার থেকে ১০ হাজারে ঠেকেছে। সাথে কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার বেড়েছে দ্বিগুন। কাষ্টমস হাউজে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ ডেপুটি কমিশনার শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে। ফাইল আটকিয়ে টাকা আদায় করা, টাকা না পেলে মনগড়া নোট দেয়া, ৩ দিন পর্য্যন্ত ফাইল আটকে রাখা তার নিত্যদিনের অভ্যাস। কর্মচারী ইউনিয়নের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার দাবি জানিয়ে বলেন, বেনাপোলের বড় বড় সাংবাদিকরা সিএন্ডএফ ব্যবসা করেন তাই ভয়ে দুর্নীতিবাজ কাষ্টমস কর্মকর্তাদের নামে লেখেন না। টাকা ছাড়া কোন ফাইল উনাদের রুম থেকে বের হয় না। বিশেষকরে শামীম হোসেনের রুমের সামনে রাত ৯টা পর্য্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকেও উনার দেখা মেলেনা। অদৃশ্য কারনে উনি বেনাপোলে যোগদানের পর থেকে বছরের পর বছর একই চেয়ারে রয়ে গেছেন। অথচ উনার পরে যোগদান করে অন্য কর্মকর্তারা এখনো পরীক্ষণ গ্রুপে কাজ করে যাচ্ছেন। অবিলম্বে উনার দপ্তর পরিবর্তন করা না হলে সিএন্ডএফ কর্মচারীরা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।

এ ব্যাপারে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কমিশনার আজিজুর রহমান জানান,ডেপুটি কমিশনার শামীমুর রহমানকে আইআরএ ও অনুপম চাকমাকে শুল্কায়ন গ্রুপে বদলী করা হয়েছে। তিনি কাস্টমসের বিরুদ্ধে সকল অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 Daily Darpan 24
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin