
স্বরূপকাঠী প্রতিনিধি: সাম্প্রদায়িকতা নয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী বিশ্বজিৎ খোকন হালদার । বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মান ও তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প বাস্তবায়নে তিনি বন্ধপরিকর। মাননীয় মন্ত্রী শম রেজাউল করিমের দল মত নির্বিশেষে সকলের জন্যই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে দারুণ প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন জলাবাড়ী ইউনিয়নের কৃতি-সন্তান বিশ্বজিৎ হালদার খোকন। জলাবাড়ী ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মধ্যে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে মন্দিরে অনুদান সহ বস্র বিতরণে একটা চমক সৃষ্টি করে। মুসলিম এলাকায়ও শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বস্র বিতরণে দারুণ প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন। শুধু হিন্দু ধর্মালম্ভীদের জন্যই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়নি বরং আত্মমানবতার কথা ভেবে হত দরিদ্র মুসলিম পরিবারের জন্যও বস্র বিতরণে দারুণ উদারতা দেখিয়েছে । এ ব্যাপারে কামারকাঠী এলাকায় বেশির ভাগ লোকজন গণ মাধ্যম কর্মীদের জানান, বিশ্বজিৎ হালদার খোকনের কাজে কর্মে দারুণ প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে। জলাবাড়ী ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মধ্যে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বস্র বিতরণে দারুণ মুন্সীয়ানার ছাপ রেখেছে সদ্য শেষ হওয়া দুর্গোৎসবে। মানব সেবায় সকলের কল্যানে নিজেকে উজাড় করে দিচ্ছে অকাতরে । এদিকে জলাবাড়ী ইউনিয়নের বহু শীর্ষ নেতৃবৃন্দ জানান
এ লক্ষ্যকে বুকে ধারণ করে দিন রাত চষে বেড়াচ্ছেন জলাবাড়ী ইউনিয়ন। তারমত একজন সৎ, যোগ্য, সুশিক্ষিত, উদারচেতা ধর্মবর্ণ বৈষম্যহীন, সচ্ছ সমাজসেবক একজন নির্লোভ মানুষকে ভালোবাসা হিসাবে পেতে চায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।
পিরোজপুর জেলার স্বরুপকাঠি উপজেলার ৫নং জলাবাড়ী ইউনিয়ন। এ ইউনিয়নের গ্রামের একটি সচ্ছল পরিবারে তার জন্ম। বাবা বিমল চন্দ্র হালদার মা নিলিমা হালদার দুজনই ছিলেন শিক্ষক।পিরোজপুর জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক তাঁতী লীগ, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী । এসএসসি পাস করেন ১৯৯১ সালে , পল্লীমঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাদরা ঝালকাঠি, এইচ এসসি পাস করেন ১৯৯৩ সালে, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ কুড়িয়ানা কলেজ পিরোজপুর, বিএম এ পাস করেন ১৯৯৬ সালে সরকারি স্বরূপকাঠি সোহাগদল কলেজ নেছারাবাদ পিরোজপুর, এম এ পাস করেন ২০০৮ সালে আশেক মাহমুদ কলেজ জামালপুর । চাকুরীতে না গিয়ে এলাকায় ছুটে যান মা মাটি মানুষের টানে। মাধ্যমিকে ছাত্রাবস্থায় তিনি ছাত্রলীগে যোগদানের মধ্যদিয়ে রাজনীতিতে হাত খড়ি দেন। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক সাথে মিছিল-মিটিং আন্দোলন করে থাকেন।
এছাড়া পিরোজপুর জেলার সর্ববৃহৎ সংগঠন সংগঠনের সাথে জড়িত থাকেন ।এ ছাড়াও তিনি আস্থা ক্ষুদ্রব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ গণপতিকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কুড়িয়ানার কিশোর কিশোরী থেকে প্রৌঢ় পর্যন্ত প্রায় মানুষই জানান এই উদীয়মান নেতা বিশ্বজিৎ হালদার মানবতা বোধে বিশ্বাসী। মানবসেবী একজন মানুষ। তিনি সনাতন ধর্মালম্বী হলেও তার মধ্যে জাতি বেদাবেদে, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্দ, খ্রীস্টান, ধর্মের বৈষম্য, হিংসা, বিদ্বেস, লোভ লালসা নেই। তিনি একজন অসম্প্রায়িক উদার মনের পরোপকারী সমাজ সেবক। শিক্ষাজীবন শেষ করে নারীর এলাকায় এসে শক্তহাতে স্থানীয় রাজনীতির হাল ধরেন। যার ফলে এ এলাকায় প্রতিহিংসার রাজনীতি, দলের মধ্যে তেমন কোন বিভাজন নেই। রাজনীতির পাশাপাশি এ এলাকার মানুষকে কিভাবে ঐক্যবদ্ধ করা, এলাকার উন্নয়ন করা, বিভিন্ন ফসলের চাষীদের প্রশিক্ষিত করা, শতভাগ মানুষকে শিক্ষিত করা, দারিদ্রতা বিমোচন করা, বেকারত্ব দুরকরা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, পিছিয়ে থাকা নারী সমাজকে অগ্রগামি ও সচেতন করা সহ এ সমাজকে সুশীল সমাজে রূপান্তর করে গড়ে তুলতে দিনরাত একাগ্রতার সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি কোন জাতপাত না ভেবে কন্যাদায়গ্রস্থ পিতাকে আর্থিক সহ সবরকমের সহায়তা, এলাকার সমস্যার সমাধান, অভাবগ্রস্ত যে কোন শিক্ষার্থীর শিক্ষা উপকরণ বেতন, পরীক্ষার ফি, স্কুলড্রেস দেয়া তার একটি রুটিন ওয়ার্ক।
চলতি করোনা কালীণ সময়ে ঝড় বৃষ্টি বিপত্তি উপক্ষো করে তিনি আড়াই হাজার পরিবারকে বাড়িতে গিয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন। যোগাযোগের উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তার যথেষ্ট অবদান রয়েছে। তারা আরও বলেন তরুন নেতা বিশ্বজিৎ হালদার এ এলাকার অনেকের বটবৃক্ষ। তার ছায়ায় অনেক পরিবার বেঁচে আছে। তিনি মসজিদ, মন্দির নির্মানে ও এতিমদের সহায়তায় ব্যাপক অনুদান দেয়া অব্যাহত রেখেছেন। তার মত একজন ভালো মানুষ আমাদের মাঝে থাকায় আমরা অনেক নিরাপদে এলাকায় বসবাস করছি। তার সাথে দলের স্থানীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে জেলা, বিভাগ ও কেন্দ্রীয় পর্যায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। শুধু তাই নয় সব বিভাগের প্রশাসনের সাথেও রয়েছে তার সুসম্পর্ক, তার মত একজন যোগ্য মানুষকে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে কুড়িয়ানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার জোর দাবী জানিয়েছেন ইউনিয়নের ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ।
সদাহাস্যজ্বল মিঠুন হালদার জানান এলাকার উন্নয়ন, মানুষের কল্যাণ, ও তাদের ঐক্যবদ্ধ রাখা একটি সুশিক্ষিত, সুশীল সমাজ গঠন করা আমার স্বপ্ন। যার জন্য আমি কোন চাকুরীতে না গিয়ে এলাকার দুঃস্থ, অসহায়, অবহেলিত মানুষের মাঝে পড়ে রয়েছি। আমি ব্যক্তিগত অর্থদিয়ে আমার স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এলাকার মানুষ আমাকে চেয়ারম্যান বানাতে কিন্তু আমি হইনি। শুধু মানুষের আপদে-বিপদে থাকব বলে। মানুষের দাবী পূরণ করতে আমি আমার নেতা, দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা, জননেত্রী, মানবতার মা শেখ হাসিনার অনুসরণ করে আছি এবং মাননীয় মন্ত্রী সভায় রেজাউল করিম সাথে সু সম্পর্ক আছে বলে আমি মনে করি। অসহায় মেহনতী মানুষের গরিবেরবন্ধু বিশ্বজিৎ খোকন হালদার বলেন,আমি সবসময় অসহায় পরিবারের মাঝে আছি এবং থাকব আমার এলাকায় মাদক সন্ত্রাসী টিজিং ,বাল্যবিবাহ ,প্রতিরোধ করব ।সুন্দর পরিবেশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবো সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন মানুষের পাশে থেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসাথে কাজ করতে পারি ইনশাআল্।