
তপু রায়হান রাব্বি,ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ফুলপুরে বিয়ের এক বছর যেতে না যেতেই যৌতুকের জন্য স্বামী রবিনের হাতে প্রাণ দিতে হলো শারমিন আক্তার কে। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
আটককৃতরা হলেন, স্বামী রবিন হাসান(২২), বাসুর করিম (৪০) উভয় পিতা-আঃ রশিদ এবং শাশুড়ি জরিনা বেগম (৫০) স্বামী আঃ রশিদ।
পারিবারিক ও এলাকা সূত্রে জানা গেছে, হালুয়াঘাটের ১০ নং ধুরাইল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের শারমিন আক্তার(১৯) এর বাবা মমতাজ আলী তার মা হোছনা বেগমকে রেখে নতুন সংসার গড়েন। সে ও তার ছোট ভাই রব্বানী (১৫) ছোটবেলা থেকেই নানান কষ্ট নিয়ে নানী সুফিয়া বেগমের কাছে বড় হয়। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে শারমিনের বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী উপজেলার ফুলপুরের সিংহেশ্বর ইউনিয়নের ধনারভিটা ডুবারপার গ্রামের আব্দুল রশিদের ছেলে রবিন হাসানের সাথে। বিয়ের এক মাস যাবার পরপরই যৌতুক নিয়ে প্রতিদিনই চলতো কথা কাটাকাটি। একই ঘটনায় আবারো গত ২৭শে আগস্ট রবিবার বিকালে ঘটে। স্বামী রবিন মোটরসাইকেল কিনব বলে বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলেন শারমিন কে । পরে টাকা আনতে অস্বীকার গেলে ভাই ও মায়ের সহযোগিতায় মারধোর সহ গলায় চেপে ধরে স্বামী রবিন। এতে শারমিন অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
উক্ত বিষয়ে ফুলপুর থানার তদন্ত ওসি মোঃ বন্দে আলী ঘটনার সততা নিশ্চিত করে সংবাদকর্মী তপু রায়হান রাব্বি কে জানান, লাশ পোস্টমর্টেম করার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক স্বামী রবিন সহ ৩ জনকে আটক করা হয়। পরে উক্ত বিষয়ে মামলা রুজ করে ২৮ শে আগস্ট সোমবার সকালে তাদেরকে আদালতে পাঠানো হয়।