
তপু রায়হান রাব্বি, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ১ম ডোজের অবশিষ্ট এক কোটি লোকদের টিকা প্রদান কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সতর্কতার মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করার কথা বললেও ময়মনসিংহের তাকান্দায় গণটিকা কেন্দ্রে এক সিরিজে দু’জন ব্যক্তিকে টিকা প্রদান করেন বলে ভিডিও সহ অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ছাড়াও নেই অনেকের মুখে মাস্ক ও সামাজিক দূরত্ব।
জানা গেছে, উপজেলার ঢাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদে ২৬শে ফেব্রুয়ারি রোজ রবিবার গণটিকা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। যা ভিডিওতে দেখা যায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর অধিনে থাকা হেলথ সেনিটারি শামসুল হক এ টিকা প্রধান করছেন। টিক আগ্রহীতারা এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে সে বলে এটা কোন সমস্যা হবে না।
এ বিষয়ে হেলথ সেনিটারি শামসুল হকের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে কোন ভাবেই যোগাযোগ করা যায়নি।
টিকা গ্রহীতা, সাব্বির, আলম, শহিদ, রুবেল, হারুন, আছিয়া, ফিরোজা, মাসুদ, নাজমুল সহ অনেকেই জানান, আমরা করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষা থাকার জন্য এটিকা গ্রহণ করেছি। তবে আমাদের সকলকে এক সিরিজে করে টাকা দিয়েছে দেখলাম। এ কথা বলে উনাকে বলে তিনি বলে আরে সমস্যা নেই। এ অবস্থা এখন আল্লাহ্ই জানে কিছুকি হয়ি না কি বলে কর্তিপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
এ বিষয়ে ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জায়েদ মাহবুব খান সংবাদকর্মী তপু রায়হান রাব্বিকে বলেন, এ বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে ও ভিডিওটি দেখতে পারলাম। বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক। কারো শরীরে যদি এইচআইভি বা যে কোনো জীবাণু থাকে তাহলে দ্বিতীয় ব্যক্তির শরীরেও এই সিরিজের সুয়ের মাধ্যমে ঢুকতে পারে। এ ব্যাপারে খুব দ্রুতগতিতে প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তারাকান্দায় দায়িত্ব থাকা নব-যোগদানকৃত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুল আলমের সাথে আমি কথা বলব।
তারাকান্দা উপজেলায় নব-যোগদানকৃত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুল আলম (মঞ্জু) এর সাথে মুটোফোনে কথা বলে তিনি বলে আমি আপনার মাধ্যে বিষয়টি জানতে পারলাম। বিষয়টি আমি দেখছি পরে আপনাকে জানাবো । এ কথা বলে ঠিকানা ও পরিচয় খাতায় নোট করে রাখেন।
ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রাণেশ চন্দ্র পন্ডিত জানান, মাত্র আপনার কাছ থেকে জানতে পেয়েছি, খুব দ্রুতগতিতে ব্যবস্থা নিচ্ছি। এটা সত্যিই দুঃখজনক এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেছেন উনি।
এ ব্যাপারে তারাকান্দার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজাবে রহমান কে মুঠোফোনে কয়েকবার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা জানান, প্রশাসনের খুব দ্রুতগতিতে এটির ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। কাজের অবহেলা কেন করা হলো ? আর এরকম শাস্তি দেখে যেন সবাই ভালো হয়ে যায়।