শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শরীয়তপুরে ৩ সাংবাদিকের পর এবার কুমিল্লা ও উত্তরায় ৬ সাংবাদিকের ওপর হামলা – বিএমএসএফের প্রতিবাদ ভ্যানচালক রাজুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে আসার আহ্বান নতুন তথ্য মন্ত্রীকে বিএমএসএফের শুভেচ্ছা হরিপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন, সফল মৎস্যচাষীদের বিশেষ সম্মাননা সাংবাদিক নেতা জিয়া উদ্দিন তৌহিদ গ্রেফতার; মুক্তির দাবি সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম ফুলপুরে অসহায় শাবানার পাশে বিএমএসএফের সদস্যরা সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন হরিপুরে সাপের কামড়ে ঘুমন্ত নারীর মৃত্যু মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কুমিল্লায় সাংবাদিক ইউনিয়নের মানববন্ধন

ঠাকুরগাঁওয়ের দশ গ্রামের মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই একমাত্র ভরসা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৯৬ Time View

হরিপুর, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁও হরিপুর উপজেলা কুলিক নদীর উপর পুরনো ও নড়বড়ে ৬০ মিটারের বাঁশের সাঁকোটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। এই সাঁকো দিয়েই প্রতিনিয়ত চলাচল করেন হরিপুর ও রানীশংকৈল উপজেলার ১০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। ঝুঁকিপূর্ণ এ সাঁকো দিয়ে ভ্যান, সাইকেল, মোটরসাইকেলসহ সেতু পারাপার হতে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হন স্থানীয়রা।
জানা যায়, হরিপুর উপজেলার ৬নং ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ভুতডাঙ্গী, তাজিগাঁও, গোবিন্দপুর, ঝাঁরবাড়ি ও রানীশংকৈল উপজেলার পার্তিপুর, দেহনাগর ও কোচল গ্রামের লোকজন প্রায় ২০ বছর ধরে ওই স্থানে বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে। স্কুল-কলেজ, হাট-বাজার, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা কাজে গ্রামগুলোর কয়েক হাজার মানুষ এ সাঁকো ব্যবহার করেন।

হরিপুর উপজেলার ৬ নং ভাতুরিয়া ইউনিয়নের ভুতডাঙ্গী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজ না থাকায় প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সেতুর দুইপাশে বসবাসরত সাধারণ মানুষ। কৃষিপণ্য পরিবহন, রোগী আনা নেওয়া, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের যাওয়া আসায় ভোগান্তি চরমে। প্রতিবছর বর্ষায় ভেঙে যাওয়া এ সাঁকোর পরিবর্তে বারবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেয়া নতুন সেতুর আশ্বাসেও মেলেনি সুফল বলে অভিযোগ গ্রামবাসীর।স্থানীয়রা জানান, বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি পানির স্রোতে ভেঙে যায়। তখন মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। সাঁকো দিয়ে চলাচলে ভয় পায় শিক্ষার্থীরা। বর্ষায় অনেক পথ ঘুরে যেতে হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। কৃষক রমজান, মোকবুল, সোহেল ও আমিরুল বলেন, কুলিক নদীর দু’পারে তাদের কৃষিজমি রয়েছে।

জমি চাষাবাদের জন্য খরা মৌসুমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করি। কিন্ত বর্ষায় পড়তে হয় মহাবিপাকে। এসময় সাঁকোর পরিবর্তে একটা ব্রিজের দাবি করেন তারা। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাজাহান সরকার বলেন, এই ঘাটে একটি ব্রিজের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 Daily Darpan 24
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin