
তপু রায়হান রাব্বি,ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসার কার্যালয়ে আওলাদ নামের একজন ৯০ হাজার টাকা চেয়েছেন ভোটার আইডি কার্ডের বয়স কমাতে বলে মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন (৬ আগস্ট রোজ রবিবার বিকালে) উপজেলার উত্তর সাহাপুর গ্রামের হালিমা খাতুন(৫০)। তিনি আরো বলেন, আমার ছোট ছেলের ভোটার আইডি (এনআইডি) কার্ডে ৪ বছর বয়স বেশি এসেছে।
পরে অনেকেই বলেন নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করার জন্য। ওইখানে গিয়ে আবেদন করলেই বয়স কমানো যাবে। পরে আমি জন্ম নিবন্ধন নিয়ে অফিসে যাই। তখন অফিসে থাকা আওলাদ নামেয়ের একজন আমাকে জানান ওই ভুল সংশোধন করতে গেলে ৯০ হাজার টাকা লাগবে। শুধু শুধু ঘুরে এখানে কোন লাভ নেই? পরে আমি বলি, আমি একজন গরিব মানুষ এত টাকা কোথায় পাবো। ৩০ হাজার টাকা দেব বলে উনাকে কথা দেয়। তবে উনারা আরো টাকা বাড়ালে কাজটি করবে। না হলে করবে না বলে জানিয়েছেন। আমি বিগত কদিন ধরেই নির্বাচন অফিসে ঘোরাফেরা করছি সকল কাগজ পাতি নিয়ে। তবে কোন লাভ হচ্ছে না ?
নির্বাচন অফিসে থাকা আওলাদ(২০) মুঠোফোনে জানান, আমার উপর ওই মহিলার আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। উনার সাথে আনুঃ২০-২৫দিন আগে কথা হয়। তবে ওনার সাথে আমার টাকা নিয়ে কোন কথা হয়নি। শুধু কথা হয়েছে বয়স সংশোধন করা যাবে না। এছাড়াও গত বৃহস্পতিবার থেকে আমি অসুস্থতার জন্য ছুটিতে আছি।
স্থানীয় অনেকেই বলেন, আমরা জানতাম নির্বাচন অফিসে আওলাদ মাস্টার রোলে চাকরি করেন। তবে আওলাদ যে ওই মহিলার কাছ থেকে এত টাকা চেয়েছে এটা বিশ্বাস করা যাচ্ছে না ? আওলাদ তো কথাবার্তা চালচলন সব দিক দিয়ে ভালো ছিল।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসার সৈয়দা আশুরা আক্তার খাতুন সংবাদকর্মী তপু রায়হান রাব্বি কে সোমবার জানান, আওলাদ আমাদের অফিসের কোন পদে নেই। তবে আমাদের লোক কম থাকায় সে অনেক আগে পার্ট টাইম হিসাবে কাজ করতো অফিসের। বয়স সংশোধনের বিষয়ে সে কেন টাকা চাইবে। অনলাইনে আবেদন করলেই হয়। যেকোনো জায়গায় অনলাইনে আবেদন করা যায়। আর এত টাকা কি কাজে লাগে। ব্যাংক চালান আনুমানিক মাত্র ২০০ টাকা মত। তবে ওই মহিলা এখনো পর্যন্ত আমাদের কাছে কোন অভিযোগ করেননি। অভিযোগ করলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।