শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শরীয়তপুরে ৩ সাংবাদিকের পর এবার কুমিল্লা ও উত্তরায় ৬ সাংবাদিকের ওপর হামলা – বিএমএসএফের প্রতিবাদ ভ্যানচালক রাজুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে আসার আহ্বান নতুন তথ্য মন্ত্রীকে বিএমএসএফের শুভেচ্ছা হরিপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন, সফল মৎস্যচাষীদের বিশেষ সম্মাননা সাংবাদিক নেতা জিয়া উদ্দিন তৌহিদ গ্রেফতার; মুক্তির দাবি সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম ফুলপুরে অসহায় শাবানার পাশে বিএমএসএফের সদস্যরা সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন হরিপুরে সাপের কামড়ে ঘুমন্ত নারীর মৃত্যু মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কুমিল্লায় সাংবাদিক ইউনিয়নের মানববন্ধন

আত্রাইয়ে রফিকুল হাজী হত্যার রহস্য উন্মোচন, পরিকল্পনাকারী সুমন, খুনের চুক্তি ৩০ হাজার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
  • ১০৭৬ Time View

মোঃ শিফাত মাহমুদ ফাহিম, বিশেষ প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় কিছুতেই যেনো থামছে না হত্যা খুনসহ সাধারণ মানুষদের উপর নির্যাতন নিপীড়ন।চলাম ২০২০ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১০/১২ জন হয় হত্যা সহ অপমৃত্যুর শিকার।

গত ১০।১০।২০২০ইং রোজ শুক্রবার বাদ এশার নামাজ পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া রফিকুল হাজী হত্যা রহস্য উন্মোচনের পথে বলে, জানিয়েছে প্রশাসনের এক কর্মকর্তা।তিনি বলেন হত্যার মূল কারণ টাকা ধার দেওয়াকে কেন্দ্র মূলত পরিকল্পনাকারী মেঃ সুমন হোসেন (৩০),পিতা আকতার হোসেন,সাং খোলাপাড়া
থানা আত্রাই,জেলা নওগাঁ।

হত্যার শিকার ঐ ব্যক্তি কাছ থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলো প্রায় ২ বছর আগে।ধারের টাকা গুলো যেনো ফেরৎ দিতে না হয় এই কারণেই হত্যা করা হয় তাকে।আর হত্যার সহযোগী হিসাবে ছিলো তার দোকানের কর্মচারীসহ বাহিরে ২/৩ জন।

পরিকল্পিত হত্যা মিশনে পুরো সহযোগীতা করে তার দোকানের কর্মচারী ও ভাড়াটিয়ে সন্ত্রস্ত্রীরা।হত্যার সূত্র প্রথমে সুমনের মোবাইল থেকে কল দিয়ে ঐ ব্যক্তিকে পাওনা টাকা দেবার কথা বলে বাদ এশার নামাজ শেষে মসজিদের পাশ থেকে ডেকে নিয়ে আসে।পরবর্তীতে তারা দোকানের ভিতর তুলে দোকানের সার্টার বন্ধ করে পূর্বের পরিকল্পনা অনুযায়ী কয়েকজন দ্রুত মুখে কসষ্টেপ মারে ও তার ওপর মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে ফেলে যেনো চিৎকার না করতে পারে।সেই সাথে দ্রুত হাত-পা ও বেঁধে ফেলে সুমনের ভাড়াটিয়ে সন্ত্রাসীরা।

পরবর্তীতে তাদের পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ঘটিয়ে লাশ জুতার বড় একটি বস্তায় তুলে কিছু সময় দোকানে রাখে, লোকজনের চলাচল কমে গেলে আনুমানিক রাত্রি ১১ টার সময় তারা লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়।লাশ ভাসিয়ে দিয়ে আসার পথে প্রশাসনের টহলরত্ব লোকজনদের সাথে দেখা হয়।তখন তাদের প্রশাসনের টহলরত্ব লোকজন জিজ্ঞেস করে এতো রাতে কি করো?

তখন হত্যাকারীরা বলে স্যার দোকানের মালপত্র গুছগাছ করলাম এই বলে দ্রুত চলে যে, যার অবস্থানে চলে যায়।পরবর্তীতে দু-দিন গত হওয়ার পরও নিখোঁজ ব্যক্তি বাসায় ফিরে না আসায় প্রশাসন ও ঘটনার রহস্য উন্মোচন করতে মাঠে নামে। সূত্রধরে ধরে প্রশাসন মিশন শুরু করে প্রথমেই হত্যার শিকার ব্যক্তির মোবাইল ফোনের কললিষ্ট বের করে প্রশাসন জানতে পারে শেষ কল সুমনের নাম্বার থেকে ঐ ব্যক্তির মোবাইলে আসে।কলের সূত্র ধরে প্রশাসন সুমনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসলে সুমন হত্যা ঘটনার সকল সত্যতা স্বীকার করে সুমন।এবং তার এই হত্যা মিশনে কারা তাকে সহযোগীতা করেছিলো সবকিছু স্বীকার করেছে বলেও জানান প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা।

প্রাথমিক ভাবে স্বীকারোক্তি নেওয়া শেষ।আজ ১২।১০।২০২০ইং রোজ সোমবার তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 Daily Darpan 24
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin