
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশে যিনি দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর বিনাবিচারে জেলখানায় বসে এখনো এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের কথা ভাবেন তিনি হচ্ছেন ডেসটিনির এমডি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ড. রফিকুল আমীন। যিনি অন্তর থেকেও আদর্শচ্যুত হননি।
২০১৭ সালের সুপ্রিমকোর্ট এর রায় অনুযায়ী জেলে বসে ব্যবসায়ীক সকল কাজ পরিচালনা করতে পারবেন তিনি। তাই দেশের সরকার ও মিডিয়া গুলোর সহযোগীতা করা উচিত, মনে করেন দেশের সাধারণ জনগন।
কিন্তু তাকে সহায়তা না করে, তাহার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করে দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করার পায়তারা করছে হলুদ মিডিয়া গুলো। এতে করে দেশের সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
গত ২০১২ সালে দেখেছি কিছু মিডিয়া লিখেছে উধাও হতে পারে ডেসটিনি ! হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার ! হেডলাইন করে এসব মিথ্যা রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। সে রিপোর্ট অনুযায়ী সরকার তদন্ত করে সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি। কারণ রিপোর্ট গুলো ছিল মিথ্যা! একটা প্রবাদ আছে,হাতুড়ি পেটালেই ইঞ্জিনিয়ার হওয়া যায় না। দু’কলম লিখতে পারলেই সাংবাদিক হওয়া যায় না।
সাংবাদিক হতে হলে মেধাবী হতে হয়। তা দেশের সাধারণ মানুষ অনেক দিন পরে বুঝেছেন। আসলে আমাদের দেশের কিছু হলুদ মিডিয়া ড. রফিকুল আমীনের সততাকে ভয় পান। আর এই কারণেই হলুদ মিডিয়া গুলো মিথ্যা অপপ্রচার করতে বেশি ভালবাসেন। তারা আজও জানেন না এমএলএম শব্দের অর্থটা কি? তারা আজও বুঝে না ই-কমার্স কি? তাই যেটা দেখেন সেটাকেই এমএলএম বলে চালিয়ে দেয়। একটা পক্ষ সুবিধা দিলে’ অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে আক্রমন শুরু হয়। ভাবতে অবাক লাগে এটা কেমন সাংবাদিকতা! এই ধরনের হলুদ সাংবাদিকদের কাছে ডেসটিনি ৪৫ লক্ষ পরিবার আজও জিম্মি। ১০ বছর মানবেতন জীবনযাপন করছে বিনিয়োগ কারীরা। অথচ হলুদ মিডিয়ার দৌরাত্ম্য এতোটুকু কমেনি।
এতে হতাশ হওয়ার কিছুই নেই। আমরা বিজয়ের পথে। সত্য সবসময় সত্য। আর মিথ্যা সবসময়ই মিথ্যা। যা দীর্ঘ ১০ বছর ধরে প্রমাণিত হয়ে আসছে।
নজির আহম্মদ,লক্ষ্মীপুর।