
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউপির উদপাড়া গ্রামে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ১২ বছরের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে শিক্ষার্থীর বাবা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলার একমাত্র আসামিকে পুলিশ গ্রেপ্তারও করেছে।
জানা যায় ১৮ সেপ্টেম্বর রোজ শনিবার সকাল ১০টায় গোয়ালকান্দি ইউপির উদপাড়া গ্রামের ১২ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তারই প্রতিবেশি মোস্তাফিজুর রহমান ভূট্টু (২২)।
এ ব্যাপারে ওই কিশোরী বলেন, আমি যখন ঘরে ফ্যান দিয়ে আমার মাথার চুল শুকাতে ছিলাম সেই সময় ছেলেটি আমার ঘরে প্রবেশ করে আমার হাত ধরে ও মুখ চেপে ধরে, পরে আমার জোড়াজোড়ি ও চিৎকারে সেই ছেলেটি পালিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে মোস্তাফিজুর রহমান ভুট্টু ও তার পরিবারের সদস্যরা বলেন, আমরা পানের বরজে কাজ করতেছিলাম তখন মেয়ের পরিবারের কিছু সদস্য এসে আমাকে মারধর করে। আমার উপর অর্পিত ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন মিথ্যা।
এই বিষয়টি জানাজানি হলে গ্রামবাসী মোস্তাফিজুর রহমান ভূট্টুকে উদপাড়া মাদ্রাসায় নিয়ে যায় এবং বাগমারা থানায় এ বিষয়টি অবহিত করেন।
বাগমারা থানায় বিষয়টি জানানোর পর তাহেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং বিষয়টি অবগত হয়ে মোস্তাফিজুর রহমান ভূট্টু, কিশোরী এবং তার পিতাকে থানায় নিয়ে যায়।
এ নিয়ে অত্র ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর সরকার বলেন,
এ বিষয়টি সম্পর্কে শুনেছি তদন্ত সাপেক্ষে পুলিশ-প্রশাসন ব্যবস্থা নিবে।
ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ সম্পর্কে অত্র ওয়ার্ড সদস্য নাজমুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান যে, ছেলেটি মেয়েটির বাসায় ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণ চেষ্টা করলে, ঐ সময় মেয়েটির চিৎকার শব্দে স্থানীয় প্রতিবেশীরা সেখানে যান। সে অবস্থায় ছেলেটি দৌড়ে পালিয়ে গেলে পরে ছেলেটিকে অন্যত্র থেকে ধরা হয় এবং পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে বাগমারা থানার (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা ওসি মোস্তাক আহম্মেদ এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন যে, স্কুল ছাত্রীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হলে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মোস্তাফিজুর রহমান ভূট্টুকে আগামীকাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।