
তপু রায়হান রাব্বি, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া ও কলাপাড়ার মহিপুরে নিজ মেয়েকে ধর্ষণ করার অভিযোগে পুলিশ লম্পট বাবাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছেন।
লম্পট বাবারা হরেন, ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের ডোমঘাটা গ্রামের মোঃ ইছব আলীর লম্পট ছেলে মোঃ আবুল কালাম (৪০)।

কলাপাড়ার মহিপুর উপজেলার ডাবুলগঞ্জ ইউনিয়নের খাপড়াভাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা দেলোয়ার সিকদার (৫০)।
ধোবাউড়া থানার মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আবুল কালাম রাত ৯ঃ২৫ মি. এর সময় বাহির থেকে এসে খাওয়া দাওয়া শেষ করে সাড়ে ৯টায় ৩/৫ বছরের ছোট দুই মেয়ে সাথে শুয়ে পরেন। পরে রাত ১০টায় দুই মেয়ে হাসি(১২) আর বড় মেয়ে সাথী (১৪) ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায়। লম্পট বাবা আবুল কালাম তার মেয়ের
ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে।
এ বিষয়ে ধোবাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ টিপু সুলতান বলেন, ধর্ষিতার মা মোছাঃ হালিমা খাতুন (৩৫)বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মেয়েকে ধর্ষণের অপরাধে ধর্ষক বাবা কে ২৬ আগস্ট শুক্রবার দুপুর ১২ টায় গ্রেফতার করা হয় এবং শিশুধর্ষণের অপরাধ আইনে মামলা হয়েছে মামলা নং ১১। ২৭ আগস্ট শনিবার সকালে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে ।
(অনলাইন “শিক্ষা তথ্য” পত্রিকার মাধ্যমে) মহিপুর থানার মামলা সূত্রে জানা যায়, এক মাস পূর্বে বিয়ের পর ওই তরুনীকে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে না দেয়ায় তিনি, তার বাবা ও মা একই ঘরে বসবাস করেন। গত ২৫ আগস্ট রোজ বৃহস্পতিবার রাতের খাবার শেষে ওই তরুনী তাদের বসতঘরের বারান্দায় ঘুমাতে যায়। রাত ১১টার দিকে দেলোয়ার ওই তরুনীর চৌকিতে গিয়ে মুখে গামছা চেপে ধরে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে।
লোক লজ্জার ভয়ে বিষয়টি ওই তরুনীকে কাউকেই জানায় নাই। পরে গত ২৬ আগস্ট শুক্রবার সকালে ওই তরুনীকে বাড়িতে একা পেয়ে আবারো মুখ চেপে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় প্রতিবেশিরা বিষয়টি দেখে ফেলে দেলোয়ারকে আটক করে।
মহিপুর থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, ওই তরুনীকে মেডিকেল রিপোর্টের জন্য পটুয়াখালী পাঠানো হয়েছে। আসামীকেও আদালতে প্রেরন করা হইবে।