
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা চররুহিতা ইউনিয়নের কবিরাজ বাড়ীর নালিশি ভূমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিজেদের ক্ষমতা দিয়ে বাড়ি নির্মাণের কাজ করছে রফিক আহমদের ছেলে মাসুম হোসেন। ৯ জুন ২০২১ইং তারিখে লক্ষ্মীপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
এ ঘটনার জের ধরে শবিনার (২১ আগস্ট) আদালতে অভিযোগকারী দিদার হোসেন এর পরিবারের উপর হামলা চালায় মাসুম গং। সোমবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ৯৩ নং দহশালা চররুহিতা মৌজার ১৮৭.৫ শতাংশ ভূমি ওয়ারিশ ও খরিদ সূত্রে মালিক হয়ে মো. দিদার হোসেন গং ভোগ দখল করেন আসছেন। এখানেই তাদের বসত ভিটা। দীর্ঘদিন থেকে তাদের দখলীয় ৯ শতাংশ ভূমি জোরপূর্বক দখল করে ঘর নির্মাণের পাঁয়তারা করে আসছে একই বাড়ীর মাছুম গং। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কয়েক বার ঝগড়াও হয়।
ভুক্তভোগী দিদার জানায়, জমির ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে এটি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। নালিশি জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু তারা প্রভাব দেখিয়ে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাড়ি নির্মাণ করে আসছে।এমনকি নালিশি জমির বাহিরে আরো জমি দখলে নেয়ার চেষ্টা করেন মাছুম গংরা। এ সময় বাধা দিলে মাছুম, রায়হান ও রাব্বিসহ কয়েকজন মিলে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে আমার স্ত্রী সন্তানদের এলোপাতাড়ি মারপিট করে আহত করেন। শোর চিৎকার শুনে জাহানারা বেগম, উম্মে হানি, আজাদ, নিশান এসে বাধা দিলে তাদের উপরও চড়াও হয় হামলাকারীরা। এসময় আমার ঘরে ভাংচুর করে তারা। আহতদের সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা নিয়েছি। এ বিষয়ে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করি।
এদিকে সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত সটকে পড়েন অভিযুক্ত মাসুম খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি, তবে তার বোন রত্না বেগম জানান, জমি নিয়ে মামলা চলছে সত্য। কিন্তু ক্রয়সূত্রে এই জমির মালিক আমরাই। তাই আমরা বাড়ী নির্মাণ করছি। তারা আমাদের উপর হামলা করে আমার মা’কে আহত করেছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার বিষয়ে কোন উত্তর দিতে পারেননি।
লক্ষ্মীপুর সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসিম উদ্দীন জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।