শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শরীয়তপুরে ৩ সাংবাদিকের পর এবার কুমিল্লা ও উত্তরায় ৬ সাংবাদিকের ওপর হামলা – বিএমএসএফের প্রতিবাদ ভ্যানচালক রাজুর উন্নত চিকিৎসায় এগিয়ে আসার আহ্বান নতুন তথ্য মন্ত্রীকে বিএমএসএফের শুভেচ্ছা হরিপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন, সফল মৎস্যচাষীদের বিশেষ সম্মাননা সাংবাদিক নেতা জিয়া উদ্দিন তৌহিদ গ্রেফতার; মুক্তির দাবি সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়নে সরকারকে ৩ মাসের আল্টিমেটাম ফুলপুরে অসহায় শাবানার পাশে বিএমএসএফের সদস্যরা সাংবাদিকতা পেশার অস্তিত্ব রক্ষায় অবিলম্বে গণমাধ্যম কমিশন গঠন করুন হরিপুরে সাপের কামড়ে ঘুমন্ত নারীর মৃত্যু মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিকদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে কুমিল্লায় সাংবাদিক ইউনিয়নের মানববন্ধন

অবশেষে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার চেষ্টায়, মানবিক ওসির সার্বিক তত্ত্বাবধানে উদ্ধার হলে অসহায় পরিবারের টাকা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
  • ৪৪৫ Time View

তপু রায়হান রাব্বি, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ
মহান সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে তাক্ওয়া অসহায় সেবা সংস্থার চেষ্টায়, ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (মানবিক ওসি) মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অসহায় পরিবার পেলো শান্তির নিঃশ্বাস। নিঃস্ব হয়ে যাবার হাত থেকে কিশোরগঞ্জের অসহায় পরিবারটির পাশে থাকার জন্য প্রশংসাই বাসছেন ফুলপুর থানার ওসি মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন ও তাক্ওয়া অসহায় সেবা সংস্থা।

ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকা সূত্রে জানা গেছে, গত ২০১৯ সালে গণমাধ্যম ফেইসবুক এর মাধ্যমে সম্পর্ক হয় ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা ভাইটকান্দি ইউনিয়নের ভাইটকান্দি গ্রামের রমিজ উদ্দিন আকন্দ ও রমিছা খাতুন এর ছেলে প্রবাসী মনির আকন্দ সাথে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার রামদী ইউনিয়নের বাগপাড়া গ্রামের মোঃ গোলাপ মিয়া ও আনোয়ারা বেগম এর ছেলে রোমান ইসলামের। এক পর্যায় গভীর সম্পর্ক হয় রোমান ইসলামের সাথে সৌদি প্রবাসী মনির আকন্দের মাঝে। টুকটাক কথা বর্তায় (প্রায় ১ বছরের মাথায়) এক পর্যায় রোমান কে বিদেশ নিবেন বলে ৪ লাখ টাকা লাগবে বলে জানান। এর মাঝে ৩ লাখ নগদ এবং বাকী টাকা বিদেশে যাবার পর। পরে রোমানের পরিবার বসত ভিটা বন্ধক রেখে দুই লাখ ৮৫ হাজার টাকা দেন প্রায় ২ বছর আগে। পরে আর রোমানকে বিদেশে নেননি, টাকাও ফিরত দেন নি। এদিন সে দিন করতে করতে আজ এতোটা দিন। পরে আর একজন ওই মনিরের এলাকার বিদেশ প্রবাসীর সাথে সম্পর্ক হয় নোমানের। এর পরে সে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেয় ফুলপুরের তাক্ওয়া অসহায় সেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ তপু রায়হান রাব্বির সাথে। পরে আমার সব কিছু ফোনের মাধ্যমে জানান তাকে।

তাক্ওয়া অসহায় সেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ তপু রায়হান রাব্বি জানান, এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মালয়শিয়ায় এক প্রবাসী আমাকে জানালে আমি অবগত করি ফুলপুর থানার সুযোগ অফিসার ইনচার্জ (মানবিক ওসি) মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন মহোদয় কে। পরে উনার দিক নির্দেশনায় থানার এসআই কবির কে সাথে নিয়ে গত ২০ নভেম্বর ২০২২ তারিখ মনিরের বাড়িতে যাওয়া হয়। সাবেক মেম্বার হাবি সহ মানিরের পরিবার টাকার কথা শিকার করে বলেন আমরা ২ লাখ টাকা ও পাসপোর্ট দিতে পারবো । পরে ওই দিন ৫০ হাজার টাকা দিয়ে দেন এবং বাকীটা টাকা ১ মাস পরে দিবেন বলে দলিল লেখার ১০০টাকার স্টেম্পে স্বাক্ষর করেন। পরে এক মাস পর পুরো টাকা দিতে পারেন নি ? সম্পূর্ণ টাকা ও পাসপোর্ট গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখ সোমবার বিকালে দিয়ে সম্পূর্ণ সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা হয় । আর মানবিক ওসি মহোদয় ছিলো বলেই অসহায় পরিবারটি টাকাটা উদ্ধার করতে পারল। অসহায় বঞ্চিত মানুষগুলোর পাশে থাকার জন্য মানবিক ওসি মহোদয় ও এসআই কবির ভাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই আমরা।

ভুক্তভোগী পরিবার ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ফুলপুর থানার মানবিক ওসি মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, এসআই কবির ও তাক্ওয়া অসহায় সেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ তপু রায়হান রাব্বি সহ যারা এ টাকা উদ্ধারের কাজে সহযোগিতা করেছেন সবাইকে। এছাড়াও তিনি কান্না গলায় বলেন আমার বাড়িভিটা বন্ধকী ঋণের হাত থেকে বাঁচতে পেরেছি। না হলে আমাকে গাছ তলে থাকতে হতো। এ ঋণের কথা কখনো ভুলতে পারব না ? বলে হাওমাও করে কান্না করে দিলেন।

এ বিষয়ে বিবাদী, প্রবাসী মনির আকন্দ জানান, আমি নোমানের কাছ থেকে টাকা নিয়েছি ঠিক আছে। তবে আমিও যাকে এনে টাকা গুলো দিয়েছি সে আমার সাথে প্রতারনা করেছে। সে পাসপোর্ট নিয়ে সমস্যা করার কারণে নোমানকে আমি বিদেশ আনতে পারি নি। এছাড়াও আমি যাকে এনে টাকা দিছি সে মেরে দিয়েছে টাকা গুলো। আমি কিছু করি নি।

এ বিষয়ে ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের ঘটনাটি সম্পূর্ণ সত্য ছিলো এবং বিবাদীও ঘটনা সত্য বলে শিকার করেন। তাক্ওয়া অসহায় সেবা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তপু রায়হান রাব্বি ও আমার থানার এসআই কবিরের চেষ্টায় আজ এই অসহায় পরিবার টাকা গুলো পেলো, টাকা গুলো না পেলে ভুক্তভোগী পরিবারটি বাড়িভিটা ছাড়া হতে হতো। এমন অসহায় মানুষের সংস্থা প্রতিটি থানায় লেবেলে থাকা দরকার। অত্র সংস্থার প্রতি আমার দোয়া ও অবিরাম ভালোবাসা রইল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 Daily Darpan 24
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin