
মোঃ শিফাত মাহমুদ ফাহিম, বিশেষ প্রতিনিধি: স্ত্রীর স্বীকৃতি না পেলে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দিয়েছে মোছাঃ সামলা আক্তার (৪০) নামের এক মহিলা। তিনি নিজ বাসায় সাংবাদিকদের ডেকে তিনি এমন টি জানায়।কেন আত্মহত্যা করবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাভার থানার বর্তমান ওসি মোঃ আকবর আলীর সাথে তার ২০১৮ সালে বিয়ে হয়েছে। কিন্তু এখন এসে তিনি তাকে স্ত্রীর স্বীকৃতি দিচ্ছেন না এবং সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপ্ন করছেন এই কারনে সে আত্মহত্যা করবেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের বলেন,২০১৫ /১৬ সালে তিনি আশুলিয়া থানার তদন্ত ওসির দায়িত্বে থাকা কালীন সময় তার (আকবর) সাথে পরিচয় হয় একটি মামলার কাজে নিকটস্থ আশুলিয়া থানায় এসে।
সেখান থেকে তাকে ভালো লাগে ওসি আকবর আলীর এমনটায় দাবি করেন ভুক্তভোগী সালমা আক্তারের। আর এই ভালো লাগা থেকেই ওসির মনের বাগানে বসন্ত আসে আর ভালোবাসার ফুল নিমিষেই ফোটে ওঠে।ভালোবাসার প্রমাণ দিতে এবং তাকে আপন করে পেতে দীর্ঘ ২ বছর তার পিছু পিছু ঘুরেন তিনি দাবি ভুক্তভোগীর। শুধু এখানে সীমাবদ্ধ নয়, তার পরিবারের সাথে এরই মাঝে সাক্ষ্যতা গড়ে তোলেন।তাকে কৌশলে দুর্বল করতে তার (সালমা) আগের ঘরের ছেলে মেয়েদের নিজের ছেলে মেয়েদের মত আদর, স্নেহ করতে থাকেন ওসি আকবর আলী।
পরিশেষে নানা কৌশলে আশুলিয়া থানার নিকটস্থ গাজীরচট এলাকার মোঃ শাহজান আলীর মেয়ে মোছাঃ সালমা আক্তারকে নিজের আয়ত্তে নেন। পরবর্তীতে ওসি আকবর আলী পরিবারকে না জানিয়ে ২০১৮ সালে শরিয়ত মোতাবে বিয়ে করেন। বিয়ের পর প্রতিনিয়ত যাওয়া আসা ছিলো সালমার দক্ষিণ গাজীরচট এলাকার বাসাটিতে।
ভালোই চলছিলো তাদের সংসার জীবন। হঠাৎ তার বড় বৌ বিয়ের বিষয়টি জানার পর সে দূরত্ব বাড়তে থাকে আমার সাথে এমন কথা বলেন,ওসির দ্বিতীয় স্ত্রী দাবিদার ভুক্তভোগী সালমা।
তিনি আরও বলেন,শরিয়ত মোতাবেক আমাদের বিয়ে হয়েছিলো ২০১৮ সালে কিন্তু রেজিঃ হয়েছিলো না। তার চাকুরীর সমস্যা হবে এমন নানা অজুহাতে তখন সে বিয়ে রেজিঃ করেছিলো না। পরবর্তীতে ২৬ জানুয়ারি ২৩ সালে আশুলিয়া থানাধীন জিরানী বাজার এলাকায় কাজী মোহাম্মদ হারুনূর রশিদের কাছে যেয়ে ১ লক্ষ টাকা দেন মোহর ধার্য করে আমাদের বিয়ে রেজিঃ করা হয়।
বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য সাভার থানার ওসি আকবর আলীর সাথে মুঠোফোনে কথা বলা হলে “সালমা” প্রসঙ্গে তিনি বলেন,তাকে আমি বিয়ে করেছিলাম। বর্তমানে সে আমার সাবেক (স্ত্রী) কারন তাকে আমি ডিভোর্স দিয়েছি। তাই তার বিষয়ে আমি কোন কিছু বলতে চাই না। আমি ছেলে মানুষ আইনে এবং শরিয়তে আমার বিয়ে করার যেমন অধিকার রয়েছে, তেমনই তালাক (ডিভোর্স) দেবার ও ক্ষমতা আমার রয়েছে।
কত তারিখে ডিভোর্স দিয়েছেন? কেন তাকে ডিভোর্স দিয়েছেন? প্রতিবেদকের এসব প্রশ্নের যথায কোন উত্তর দেননি তিনি।
ডিভোর্সের বিষয় নিয়ে ভুক্তভোগী সালমা আক্তার বলেন, সে যদি আমাকে ডিভোর্স (তালাক) দিয়ে থাকে তাহলে সে মিডিয়ার সামনে বলছে না কেন?সে যদি আমায় ডিভোর্স দিয়ে থাকে আমায় ডিভোর্স লেটার দেয় না কেন? যতদিন আমি ডিভোর্স লেটার হাতে না পাবো, ততদিন আমি ডিভোর্সের এসব কথা বিশ্বাস করবো না। সে আমার স্বামী আমি শুধু তার কাছে স্ত্রীর স্বীকৃতি চাই আর কিছু চাই না। হয় সে আমাকে স্ত্রীর স্বীকৃতি দিবে না হয় আমি আত্মহত্যা করবো। কেন সে আমার জীবন নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেললো? আমি তো তার পিছু ঘুরিনি সে আমার পিছু ঘুরে ঘুরে আমায় বিয়ে করেছে।এমন অজস্র অভিযোগ করতে করতে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
বিঃদ্রঃ পর্ব-০১