
তপু রায়হান রাব্বি, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিদিঃ
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এ সাড়ে নয়টার মধ্যে ডাক্তারের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করে নানান সতর্কবাণী দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেই সাথে ৪ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে হাসপাতালের বহির্ভিবাগ পর্যবেক্ষণ করে সকলের উদ্দেশ্যে বলেন চিকিৎসা সেবা নিতে আসা কোন রোগী বা স্বজনরা যেন দালালের খপ্পরে না পড়ে সে দিকেও নজর রাখতে হবে সকলকেই । এতে যদি কোন ডাক্তারও জড়িত থাকে তারও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেননা এখন প্রায় সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা হাসপাতালেই করানো হয়। অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে রোগীদের বাহিরে গিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করানোর কোন প্রয়োজন পড়ে না বলে আমি মনে করি।
সচেতন নাগরিকরা জানান, অত্র হাসপাতালে ডাক্তাররা সঠিক সময়ে আসছে না বহির্বিভাগে।এতে করে রোগীদের অনেক হয়রানির শিকার হতে হয়। এ সুযোগ দালালরা কাজে লাগিয়ে অনেক রোগীর কাছে মধুর সম্পর্ক ঘরে বাহির থেকে করাচ্ছে পরীক্ষা নিরীক্ষা। এতে দালালরা পারছে পার্সেন্টেজ বা কমিশন। যারা ঠিকমতো একবেলা খেতে পারে না তারাও দালালদের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া নির্দেশনাগুলো সকলেরই যদি সঠিক ভাবে পালন করে থাকে আশা করি দালালমুক্ত হবে অত্র হাসপাতাল।
হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর সংবাদকর্মী তপু রায়হান রাব্বি কে জানান, হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিনই হাজারেরও বেশি রোগী দেখা হয়। এছাড়াও ইমার্জেন্সি রুম তো আছেই। ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিনই প্রায় ভর্তি থাকে ১শ থেকে ১৫০ রোগী। রোগী বেশি থাকায় সরকারের দেওয়া অনেক ঔষধেরও ঘাটতি থাকে।
হাসপাতালে দালাল মুক্ত করার জন্য নানান পদক্ষেপ গ্রহণ সহ সকল ডাক্তারদেরকে সঠিক সময় উপস্থিত থাকার জন্য নোটিশ প্রধান করা হয়েছে। দালাল মুক্ত করনে সিসি ক্যামেরার আওতায় এনে সোমবার সকালে বহির্বিভাগ পরিদর্শন করে এ সময় দুই তিন জনকে চিহ্নিত করি। সকলের অনুরোধে প্রথমবারের মতো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখে বলি কাল থেকে যদি হাসপাতালে দেখা যায় তাহলে আইনের আওতায় নেয়া হবে। তবে রোগী ও রোগীর সাথে আশা অভিভাবকদের কেউ সচেতন থাকতে হবে। কেননা ওনারা যদি নিজেরা দালালের খপ্পরে না পড়েন তাহলে মনে হয় না যে দালাল ওদের কাছে আসবে। এছাড়াও দালালদের কে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য সকলকে আহ্বান জানানো হলো।