
তপু রায়হান রাব্বি,ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ আমরা কোথায় বসবাস করছি, লম্পট হিংস্র পশু নামের কলঙ্ক বাবার কাছ থেকেও নিজ মেয়ে ছাড় পাচ্ছে না? এমন লম্পট বাবার লালসায় শিকারের জন্য মুখ দেখাতে পারছে না অনেক নারী জাতি। মান সম্মানের ভয়ে মাঝেমধ্যে বেছে নিতে হচ্ছে আত্মহত্যার পথ। রেহাই পেয়ে যাচ্ছে লম্পট হিংস্র পশুগুলো। তেমনি ময়মনসিংহের ফুলপুর থানা পুলিশ হারানো জিডি তদন্ত করতে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য, বনগাঁও গ্রামের মৃত আমির হোসেনের লম্পট ছেলে মোঃ আশ্রব আলী(৪৮) নিজের মেয়েকে প্রতি রাতেই ধর্ষণ করত এমন অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, লম্পট মোঃ আশ্রব আলী গত ৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ফুলপুর থানায় এসে সাধারণ ডায়েরি করে যে, তার স্ত্রী ১২ বছর পূর্বে তাকে রেখে অন্য একজনকে বিয়ে করে চলে যায়। বর্তমানে সে ১ ছেলে রুমান(১৪), ও ১ মেয়ে ভিকটিম(১৩)কে নিয়ে একেই ঘরে বসবাস করছিল। গত ০৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার মেয়ে বাড়ির সকলের অজান্তে বাড়ি হতে কোথায় যেন চলে যায়। পরবর্তীতে বাড়িতে ফিরে না আসায় আশপাশের বাড়িসহ তাহার নিকটতম আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করে কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিষয়টি এসআই তরিকুল ইসলাম ও এএসআই আবুল বাসেদ কে প্রাথমিক তদন্ত করার জন্য ঘটনাস্থলে প্রেরণ করিলে তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রকাশ্য ও গোপনীয় তদন্ত করে এলাকায় বিশ্বস্ত সোর্স মোতায়েন করেন। প্রাথমিক তদন্ত শেষে থানায় আসার কিছুক্ষণ পরে রাত অনুমান ২৩:৫০ ঘটিকায় ভিকটিম নিজেই এএসআই আবুল বাসেদ এর মোবাইলে ফোন করে জানান যে, ভিকটিমের পিতা মোঃআশ্রব আলী একই ঘরে বসবাস করার সুবাদে ভিকটিম কে প্রতি রাতে হাত-পা বেঁধে, মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষন করতো। এক কথায় হিংস্র পশুর মত চিরে চিরে খেত। আর এ বিষয়ে কারও কাছে প্রকাশ করলে, দা দিয়ে জবাই করে মেরে ফেলার হুমকি দিত। অবশেষে ভিকটিম সহ্য করতে না পেরে পালিয়ে তার মায়ের নিকট ঢাকা চলে যায়।
বিদ্রোহী ওই মেয়ের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সচেতন মহল এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে জনপ্রকাশে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ড দাবি জানিয়েছেন গণমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে সরকারের কাছে। যেন ওর মৃত্যু দেখে লম্পট হিংস্র প্রাণীগুলো ভালো হয়ে যায় সকলেই ভালো হয়ে যায়। এছাড়াও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তথ্য উদঘাটন করে আইনের আওতায় এনে আসামিকে গ্রেফতার করাই ধন্যবাদ জানিয়েছেন ফুলপুর থানার পুলিশ প্রশাসনকে। আরো জানান বর্তমান থানার মানবিক ওসি জনগণকে যে পরিমাণে সঠিক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন এতে আমরা চির কৃতজ্ঞ।
ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনা সততা নিশ্চিত করে সংবাদকর্মী তপু রায়হান রাব্বিকে জানান, হারানো জিডি তদন্ত করতে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর এ তথ্য। পরে ভিকটিম ও তার মাকে থানায় এনে অভিযোগ গ্রহন করে পাষন্ড হিংস্র পিতা আশ্রব আলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)