
স্বরূপকাঠী প্রতিনিধি : পিরোজপুর নেছারাবাদ স্বরূপকাঠি উপজেলা ৪ নং আটঘর কুড়িয়ানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শ্রী মিঠুন হালদার কে নিয়ে কিছু কুচক্র মহল তাকে নিয়ে বিতর্ক ও ষড়যন্ত্রের সৃষ্টি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মিঠুন হালদার কে নিয়ে কিছু কুচক্র মহল মান সম্মান ক্ষুন্ন করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে, শুধু তাই নয় নিজেদের ভিতরে নিজেরাই বিতর্কিত সৃষ্টিি করার পাঁয়তারা করছেন, দলের পথ পজিশন পাওয়া়ার জন্য হুমকি-ধামকি এবং রাতের আধারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৮সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অমিত কে নিয়ে মারার হুমকি ধামকি অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে মিঠুন হালদার না থাকার কারণে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবে অমিত রায় এই গুঞ্জন সৃষ্টি করেছেন কুরিয়ানা বাজারে বাজার সেক্রেটারি সজল শিকদার, খোকন ও অরুপ আরো অনেকেই সে নাকি বলেছেন, দুইশত লোক নিয়ে অমিতকে মেরে এলাকাছাড়া করবে বলে জানান। অথচ অমিত রায় কে জিজ্ঞাঞেস করলে সে বলেন, আমি এই ধরনের ঘটনা কিছুই আমি জানিনা কিছু বলিনি,আমাকে নিয়ে বিতর্কিত সৃষ্টি করে বেড়াচ্ছেন সজল শিকদার ও খোকন , অরুপ, ও আরো অনেকেই, এই বিষয় দাদা চেয়ারম্যান মিঠুন হালদার কে সবকিছু জানানো হয়েছে।এলাকাবাসী জানান অমিত রায় একটা ভালো ছেলে ওর দ্বারা কোন কিছু ক্ষতি হয় না, ওর মতন ভালো ছেলে বলতে আমাদের কুড়িয়ানা একটি নেই। এক শিক্ষক বলেন ও মিঠুন হালদার এর পাশে ছায়ার মত ছিল সব সময় আপদে-বিপদে প্রতিটি সময়, আমার জানামতে একটি শিক্ষিত ছেলে। ওর পরিচয় হলো? নামঃ- অমিত রায় পিতাঃ- সুশিলরায় ,মাতাঃ- ঝর্না রায় গ্রামঃ- ব্রাক্ষনকাঠিপোস্টঃ- ধলহার ,থানাঃ- স্বরুপকাঠি,জেলাঃ- পিরোজপুর শিক্ষাঃ- অনার্স ফোর্থ ইয়ার বয়সঃ- (২৪)
এদিকে কুরিয়ার আটঘর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাম না প্রকাশের , সে বলেন মিঠুন হালদার বর্তমান চেয়ারম্যান সে ভালো প্রকৃতির লোক সৎ সাহসী সমাজসেবক , তাকে নিয়ে যেভাবে বিতর্কিত সৃষ্টি করেছেন কিছু কুচক্র মহল , আসলে এই ধরনের কর্মকাণ্ড আমরা পছন্দ করি না।শুধু তাই নয় যে চেয়ারম্যান বিরোধী এর লোকজন বিভিন্নভাবে হয়রানি হুমকি-ধামকি দিয়ে বেড়াচ্ছে যেন চেয়ারম্যান এই পথটা না থাকতে পারে। কিন্তু যেভাবে আওয়ামী লীগের কর্মী হিসাবে কর্মীদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত সৃষ্টি পায়তারা করতেছেন আসলে প্রকৃতির লোক মনে আমার হচ্ছে না।
৭ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে সজল শিকদার ও খোকন , ও অরুপ লোকজন নিয়ে চেয়ারম্যান মিঠুন হালদার এর বিপক্ষে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। এমনকি ষড়যন্তের পাঁয়তারা করতেছে, বলে কিছু লোকজন জানান। এমনটাই অভিযোগ সরেজমিনে গিয়ে পাওয়া যায়। এই সূত্র ধরে নেছারাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবির হোসেনের নেতৃত্বে কুরিয়ানা বাজারে সেক্রেটারি সজল শিকদার ও খোকন এবং অরূপ কে থানায় নিয়ে যান । তাদেরকে বিশৃঙ্খলা না করার জন্য উপদেশ দেন । একপর্যায়ে সূত্রে জানা যায় থানায় সাদা কাগজে লিখিত তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেন।
৪ নং আটঘর কুড়িয়ানা চেয়ারম্যান মিঠুন হালদার কে জিজ্ঞাসা করলে গণমাধ্যমকর্মীদের কে বলেন, অমিত কে নিয়ে এতো বিতর্কিত কেন হবে আমাকে নিয়ে কেন ষড়যন্ত্র , অমিত ইয়াবা গাঁজা এমনকি কোন খারাপ কাজের সাথে জড়িত নয়, অমিত কোন খারাপ সাথে জড়িত নয়। যারা বিতর্কিত সৃষ্টি করেছেন যাদের আগে-পিছে অনেক খারাপ এর সাথে জড়িত আছে তাদের বিরুদ্ধে নিউজ করেন এবং আইন তাদের বিষয়ে দেখবে বলে আমি মনে করি।সুতরাং যে খারাপ এর সাথে জড়িত থাকবে তাকে আইন তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে এটা বলে আমি মনে করি। সে যেই হোক না কেন?সুতরাং আমি দেশের বাইরে থাকার কারণে বিতর্কিত সৃষ্টি হচ্ছে এই ধরনের ঘটনাকে আমি তীব্র নিন্দা জানাই।
এদিকে কুড়িয়ানার বিশিষ্ট সমবায় সমিতির মালিক বলেন আমরা সবাই কাঁধে কাঁধ রেখে মিলেমিশে থাকতে চাই কেন আমাদেরকে নিয়ে এত বিতর্ক সৃষ্টি হবে, আমাদের দাদা মিঠুন হালদার শুধু চেয়ারম্যান নয় আমাদের একজন অভিভাবক , আমরা দলবল নির্বিশেষে তাকে বিজয় করেছি শুধু শান্তির জন্য। স্বরূপকাঠি উপজেলা সকল নেতাকর্মীরা জানেন তারা বিষয়টা নিয়ে তীব্র নিন্দা জানান। কুরিয়ানা বাজারে এক দোকানদার বলেন, সজল শিকদার ও খোকন অরূপ কে কি বা করে তা আমরা ভালো করেই জানি,কেননা আমরা কিছু বলতে পারব না আপনারা গণমাধ্যমকর্মী আপনারা তথ্য নিয়ে জানতে পারেন কে কি করে। জিজ্ঞাসা করলে গম্ভীর মুখে বলেন , আমরা সারাদিন পরিশ্রম করে ৫০০ টাকা আয় করতে কষ্ট হয়,আর কিছু লোক আমাদের চোখের সামনে অনেক কিছু করেন তারা কোথা থেকে এত টাকা পায়! কি করে তাকে যে বলতে গেলে আমাদের সমস্যা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)