মোঃ শিফাত মাহমুদ ফাহিম, বিশেষ প্রতিনিধি: গতকাল ১৮ এপ্রিল,রোজ বৃহস্পতিবার রাত্রি আনুমানিক পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের জোরপুল এলাকায় মৌমিতা পরিবহন বাসের এক কন্টাক্টরকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে সাভার হাইওয়ে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় হাইওয়ে পুলিশের হাতে নির্যাতনের শিকার কন্টাক্টরের নাম মোঃ হানিফ (২৮) মিয়া। আহত হানিফ মিয়া মৌমিতা পরিবহনের কন্টাক্টর বলে প্রাথমিক ভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়।অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য হলেন- সাভার হাইওয়ে পুলিশের কনস্টেবল মোঃ রোজদার আলী।তিনি ভুক্তভোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ইচ্ছেমত আঘাত করার পর মনের ক্ষোভ না মেটায় জোরেসোরে তার (ভুক্তভোগীর) অন্ডকোষে আঘাত করেন।
হানিফ বলেন, 'আমি মৌমিতা পরিবহনের একটি বাস গ্যারেজ করে সড়কে এসে দেখি অপর ১টি বাস আটকে কাগজ দেখতে চাচ্ছে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল। কাগজপত্র তক্ষুণিক দেখাতে না পারায় চালককে মারধর শুরু করে তারা। আমি এগিয়ে যেয়ে তাদের বলেছি, ভাই গাড়ির মহাজন আসতেছে, মারধর করছেন কেন? এ কথা বলার সাথে সাথেই আমাকে গালিগালাজ শুরু করে হাইওয়ে পুলিশের কনস্টেবল অভিযুক্ত রোজদার সেই সাথে আমায় বেধড়ক মারধর শুরু করে।ভুক্তভোগী কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমায় কমপক্ষে ২০/২৫ টি লাথি মারে এতে তার মনের ক্ষেভ না মেটায় আমার অন্ডকোষে সজোড়ে লাথি মারে।
একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায় অভিযুক্ত কনস্টেবল রোজদারের সাথে সাংবাদিক পরিচয়ে "দৈনিক বসুন্ধরা পত্রিকার" সাভার উপজেলা প্রতিনিধি আব্দুস সালাম রুবেল কথা বলতে গেলে তার হাত থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন (রোজদার) তিনি। পরবর্তীতে সাংবাদিকের সাথে কথা না বলে তিনি দ্রুত স্থান ত্যাগ করে অন্যত্রে চলে যান।
বিষয়টি নিয়ে হাইওয়ে পুলিশের টহল টিমের নেতৃত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক জিল্লু বলেন, ওখানে তো তেমন কিছুই ঘটেনি। আমি আপনাকে একটু পরে ফোন দিচ্ছি বলেই অপরপ্রান্ত থেকে মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন তিনি।
সাভার হাইওয়ে থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) আইয়ুব আলী এ বিষয়ে বলেন,মৌমিতা বাসের কন্টাক্টর ও মালিক টহল টিম থানায় এসেছিলো।যদি টহল টিমের দোষ প্রমাণিত হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)