
মান্দা (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মান্দায় এক ব্যাবসায়ীকে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়নের সতীহাট বাজারে। এ ঘটনায় মান্দা থানার এসআই ফারুকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে লিখত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভূক্তভোগী।
অভিযোগসূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম ওরফে মানিক পেশায় একজন মুদি দোকান। মুদি দোকানের পাশাপাশি তিনি ডেইরি ফার্ম এবং পরিবহন ব্যাবসার সাথে জরিত। ভাড়ায় চালিত পরিবহন (ট্রাক) ব্যাবসা রয়েছে তার। সতীহাট বাজারস্থ এলাকায় বসতবাড়ি এবং দোকান হওয়ার কারণে দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সহিত এসব ব্যাবসা বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছেন তিনি। কিন্তু তার বাসা,দোকান ও ডেইরি ফার্ম একজায়গায় হওয়ার কারণে দোকান এবং বাসার মেইন গেইট একসাথে হওয়ার কারণে একই গেইট দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু সরকার ঘোষিত লকডাউনে তার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন থেকে বন্ধ রয়েছে। বাড়ীর ভেতরে এবং বাহিরে যাওয়ারমতো কোন বিকল্প পথ না থাকায় অনেক সময় নিজের প্রয়োজনে বাধ্য হয়ে দোকানের সাটারিং খুলে বাহিরে বের হতে হয়। লকডাউন বাস্তবায়নে সরকারি নির্দেশনা মানতে আমরা বদ্ধপরিকর। কিন্তু লকডাউন বাস্তবায়নে সতীহাট বাজার এলাকায় দায়িত্বে থাকা মান্দা থানার এস আই ফারুক তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানারকম হুমকি প্রদান করতে থাকে।
ভূক্তভোগী ব্যাবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমের দাবি যে, এর আগেও সতীহাট ফিলিং স্টেশন থেকে তার একটি ট্রাক চুরি হয়ে যায়। ওই সময় এস আই ফারুকের সাথে তার সাথে মনমালিন্যের সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার জের ধরে তিনি বিভিন্ন সময় তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোসহ জেল জরিমানার ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছেন। বিষয়টি স্থানীয় অনেকেই জানেন বলে জানান তিনি। বর্তমানে তিনি নিরুপায় হয়ে এর থেকে পরিত্রাণ পেতে উর্ধত্মন কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেছেন।
এব্যাপারে জানতে চাইলে এস আই ফারুক তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন যে, ও সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে দোকান খুলে রাখছিলো। পরবর্তীতে তার দোকান বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি এ মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জেলা প্রশাসক হারুন- অর রশিদ বলেন, বিষয়টি অবগত নয়। তবে,অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)