
তপু রায়হান রাব্বি, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ বিয়ের তিন মাস যেতে না যেতেই নববধূকে হতে হলো বিধবা। মা-বাবা, নববধূ সহ পরিবার-পরিজন বুক ফাঁটা কাঁন্নার আর্তনাদ চিৎকরে ময়মনসিংহের তারাকান্দার ঢাকুয়া ইউনিয়নের কুশিয়াকান্দা (চকংনাপাড়া) গ্রামের আসাদ আলী তালুকদারের বাড়িতে লোকজনের উপচে পড়া ভিড় জমে যায়। শহিদুলের মৃত্যুর খবর জানার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারে মাতম শুরু হয়।
জানা যায়, তারাকান্দার ওই গ্রামের ঝালমুড়ি বিক্রেতা আসাদ আলীর ছোট ছেলে শহিদুল ইসলাম (২০) এবং একই উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের ধলীরকান্দা গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে নয়ন আকন্দ (৩৫) ঈশ্বগঞ্জের আঠারোবাড়ীর শ্রীঃ রঞ্জন সাহার সাথী ডেকোরেটারে কাজ করতেন।
গত ১৮ অক্টোবর রোজ সোমবার ময়মনসিংহ সদরের কোতোয়ালি মডেল থানা রোড কালিবাড়ি লোকনাথ মন্দিরের সামনের পূজামণ্ডপের ডেকোরেশনের গেইটের কাপড় খুলতে গিয়ে সাথে থাকা ছেড়া বিদ্যুতিক তারে শহিদুল ইসলাম ও নয়ন আকন্দের শরীরে লেগে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ঠে উপর থেকে পরে দু'জনই আহত হয়। ঘটনাস্থলেই শহিদুলের নাক মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে শুরু হয়। দু'জনকেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শহিদুলকে মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন এবং নয়নকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছুটি দিয়ে দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন এর জন্য দেওয়া হয়েছে।
১৯ অক্টোবর রোজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় মরহুমের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পুর্ণ হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)