নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পরিশ্রম সৌভাগ্যর প্রসূতি-এই বাণীটি বাগমারার আলু চাষীদের কাছে মূল্যহীন হয়ে পড়েছে।
কৃষক সমাজের কঠোর পরিশ্রম আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এই মৌসুমে আলুর বাম্পার ফলন হচ্ছে।
আলুর বাম্পার ফলনেই আলুর কম দাম ও চাহিদা না থাকায় বাগমারার কৃষকসমাজের চোখে অশ্রু।
বর্তমানে বাজারে আলুর চাহিদা ও দাম কম থাকায় কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থের মধ্য রয়েছে।
বর্তমানে অত্র উপজেলার বিভিন্ন বাজারে আলুর প্রজাতিভেদে খুবই নিম্ন দামে বিক্রয় হচ্ছে।
রুমানা নামের এক প্রজাতির আলু বাজারে বর্তমানে মাত্র ২৫০-৩৫০টাকা মণ ও ষাটে নামের আরেক প্রজাতির আলু বাজারে বর্তমানে মাত্র ৩৫০-৪৫০টাকা মণ দরে বাজারে বিক্রয় হচ্ছে।
আলুর উৎপাদন খরচের সাথে বিক্রয়ের সামঞ্জস্য না থাকায় বাগমারার কৃষকসমাজ আলুর বাম্পার ফলন ঘটিয়ে ব্যাপক চিন্তার মধ্য অবস্থায় রয়েছে।
বাগমারার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের উদপাড়া গ্রামের আলুচাষী সেলিম রেজা জানান, আমি কিছু আগাম আলু লাগিয়েছিলাম আমার ধারণা ছিল সেই আলু উঠিয়ে বিক্রয় করে অনেক টাকা আয় করে সেই জমিতে পেঁয়াজ রোপণ করব।
কিন্তু বর্তমান বাজারে আলু অনেক কম দামে বিক্রয় করে উৎপাদন খরচ ও শ্রমিক খরচের টাকা কিভাবে পরিশোধ করব সেটা নিয়ে আমি চরম চিন্তায় আছি।
বাগমারার এক আলু ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন প্রাং জানান, আমি অত্র উপজেলা থেকে আলু ক্রয় করে রাজধানী ঢাকা শহরের বিভিন্ন বড় বড় বাজারে আলু সরবরাহ করে বিক্রয় করে থাক। বর্তমানে বাজারে আলুর চাহিদা খুবই কম থাকায় আলুর দাম ব্যাপক নিম্নমুখী।
আমি সর্বশেষ এক টিপ অালু বাগমারার বাজার থেকে ১০টাকা কেজি দরে ক্রয় করে ঢাকার বাজারে ৭টাকা কেজি দরে বিক্রয় করে লোকসানের মধ্য আছি।
বাগমারার কৃষকসমাজরা বলেন, আলুর উৎপাদন খরচের সাথে সমন্বয় ঘটিয়ে নায্যমূল্য নির্ধারণ করার জন্য আমরা কৃষকরা সরকারের কাছে জোড়ালো দাবি জানাচ্ছি।
অবহেলিত এই কৃষকদের প্রতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার সুদৃষ্টি কামনা করবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)