
তপু রায়হান রাব্বি, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহের ফুলপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বাস ও সিএনজি চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছে বলে ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে মৌখিক অভিযোগ করেন যাত্রীগণ। এছাড়াও ময়মনসিংহের যাত্রীদের বাসে করে নিচ্ছে না বলেও জানান।
উক্ত অভিযোগে তাৎক্ষণিক ফুলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুবুর রহমানের নির্দেশনায় থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান সুমন মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম বাসস্ট্যান্ড এলাকার যানজট নিরসন সহ বাস ও সিএনজি চালকদের সাথে কথা বলে ঈদের আগের ভাড়ায় নেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।
এছাড়াও কঠোর হুঁশিয়ারি প্রদান করে বলেন, যদি কোন যাত্রীকে ময়মনসিংহ যেতে চাইলে তাকে গাড়িতে না ওঠায় বা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেই তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করাই পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সচেতন মহল এবং ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, ক'দিনের ছুটিতে আসি পরিবারের সাথে ঈদ করতে। তবে যে টাকা বোনাস পায় তা আসা যাওয়ায় শেষ হয়ে যায়। অনেক সময় দেখা যায় হাওলাত করেও কর্মস্থলে যেতে হয়। যেখানে ঢাকা গেলে ও আসলে লাগতো ১৫০ থেকে ২০০ টাকা করে। আর আজ ৪ ডাবলেরও বেশি টাকা দিয়ে যেতে হচ্ছে নিজ কর্মস্থলে। আর না গেলেও হারাতে হবে চাকরি। তাইতো অর্থের কথা চিন্তা করে ঝুঁকি নিয়ে অনেক সময় ট্রাক বা পিক-আপ করে নিজ গন্তব্যে পৌঁছে যাই।
জানা যায়, পবিত্র ঈদুল ফিতর বা ঈদকে কেন্দ্র করে কর্মস্থল ছেড়ে নারী ও গ্রামের টানে ঘরে ফেরা কর্মজীবী মানুষগুলো আবারো ফিরছে নিজ নিজ গন্তব্যে। এতে বাড়ছে ভিড়, বাড়ছে ভোগান্তি, হস্ত নষ্ট হচ্ছে যাত্রীরা। কর্মমুখী যাত্রীদের কাছ থেকে নানান তালবাহানা দেখিয়ে এক কথায় জিম্মি করে টাকা আদায় করছে বাস ও সিএনজি চালক সহ পরিবহন চালকরা। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ায় অসন্তুষ্ট জানিয়েছেন যাত্রীরা। যেখানে ফুলপুর থেকে ময়মনসিংহ বাসে ভাড়া ছিল ৪০-৫০টাকা সেখানে নিচ্ছে ১০০ থেকে ১২০টাকা। আর ঢাকা পর্যন্ত ছিলো ১৫০ থেকে ২৫০টাকা, এখন নিচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০টাকা পর্যন্ত। অপরদিকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত সিএনজি ছিলো ৬০টাকা, এখন নিচ্ছে ১৫০টাকা বা তারও বেশি করে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)