
তপু রায়হান রাব্বি, ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ;
বায়োফ্লক নামটি এখনো অনেকের কাছেই নতুন, এটি আসলে মাছ চাষের লাভ জনক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। বায়োফ্লক লাভ জনক হওয়ার জন্যই দিন দিন এটি প্রসারিত হচ্ছে, উদ্ধুদ্ধ হচ্ছে তরুনরাও। ‘বায়োফ্লক’ প্রযুক্তির জনক ইজরায়েলি বিজ্ঞানী ইয়ান এভনিমেলেচ। ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, ভারত সহ অনেক দেশেই বায়োফ্লক এখন জনপ্রিয় মাছ চাষ পদ্ধতি।
বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে পুকুরে চেয়ে ২০গুন বেশি মাছ উৎপাদন করা সম্ভব। আর তারি ধারাবাহিকতায় সর্বপ্রথম ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার মোঃ এরশাদ আলীর ছেলে ইলিয়াস রনি বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে "আফিয়া বায়োফ্লক ফিশ ফ্রার্ম" নামের একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন সিংহেশ্বর ইউনিয়নের মোকামিয়া গ্রামের আমতৈল নামক স্থানে।
ইলিয়াস রনি জানান, বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে যেমন লাভজনক তেমনি বেকার যুবকদেরকে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়া। চাকরির পিছে ছোটে হাজার হাজার টাকা নষ্ট না করে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষ করলেও অনেক লাভবান হওয়া যায়। এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করলে সাধারণত খরচ কম হয়ে থাকে।
বায়োফ্লক মাছ চাষের সুবিধা সমূহঃ
১★ পুকুরের সমপরিমান জায়গায় বায়োফ্লকে ২০ গুন বেশি মাছ চাষ করা যায়। কম জায়গা ব্যবহার করে অধিক পরিমাণে মাছ উৎপাদন সম্ভব এই পদ্ধতিতে। ২★ বায়োফ্লকে পুকুরের চেয়ে মাছের খাদ্য খরচ ৩০% কম লাগে। এবং ৩★ বায়োফ্লকে মাছের রোগবালাই খুবই কম হয়।
তিনি আরো বলেন এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করলে আগে জানতে হবে বায়োফ্লক কি ? বায়োফ্লক প্রযুক্তিতে কী ভাবে কাজ করতে হয় ? বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের জন্য কী কী উপকরণ লাগে ?
আমি নিজেই অর্থের জন্য সর্বপ্রথম একটি বায়োফ্লক তৈরি করেছি। আর একটি কাজ ধরেছিলাম কিন্তু অর্থের জন্য শেষ করতে পারছিনা। যদি সরকারিভাবে কোন একটি লোন নিতে পারতাম তাহলে ইনশাআল্লাহ অনেক দৌড় এগিয়ে যেতাম ।
তিনি শিক্ষিত বেকার যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে নিজের পরিবার সহ আত্নীয় সজন ও প্রতিবেশীদের ফরমালিন / ক্যামিকেল ও এন্টিবায়টিক বিহীন মাছ খান ও খাওয়ান এবং সেই সাথে ব্যাসায়ীক ভাবে চাষ করে বিক্রয় করে অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হোন। বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের সকল বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও সহযোগীতার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন 01913883516 ।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)