
তপু রায়হান রাব্বি ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধিঃ
আত্মগোপনে থাকা মা রহিমা বেগম(৫২) নাটকের মাঝ পথেই ধরা পড়ে যাওয়ায় অবশেষে মরিয়ম মান্নান এর লিখা নাটক শেষ করতে পারলনা।
জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্যই এ নাটকের আয়োজন করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। ওই নাটকে দৌলতপুরের ওসি নজরুল ইসলাম কেউ ছাড় দেননি তিনি। আরো জানা গেছে, মরিয়ম মান্নান কোটা আন্দোলনের দাবিতে প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
ময়মসিংহের ফুলপুর বওলা দারোগা বাড়ির কবরস্থান থেকে অর্ধ গলিত একটি নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এর পরিচয় বা কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি। গণমাধ্যমে ফেইসবুকে কাপড়ের ছবি দিয়ে পরিচয় চেয়ে বিভিন্ন আইডিতে পোস্ট দিলে মরিয়ম মান্নান তা দেখতে পাই। পরে কাপড় দেখে বলে তার মায়ের কাপড়। এর পর সে গত শুক্রবার বেলা ১১টায় ফুলপুর থানায় আসেন পুত্রবৌধু কানিজ ফাতেমা সহ ৩ বোন মরিয়ম মান্নান, মাহফুজা আক্তার ও আদুরী আক্তার। পরে লাশের ছবি না দেখেই শুটিং শুরু হয়, আমার মায়ের হাত, আমার মায়ের কপাল, মুখ এবং কি কাপড় সবি আমার মায়ের মতন। মাকে চিন্তে আমার ভুল হয়নি। চরিত্রের মূলহুদা মরিয়ম মান্নান। মাকে শনাক্ত করতে ডিএনএ টেস্ট এর জন্যও আবেদন করেন তিনি। তবে ডিএনএ টেস্টের আগেই গত২৪ শে সেপ্টেম্বর শনিবার দিবাগত রাত ১০টায় ফরিদপুর বোয়ালমারী থেকে জীবিত উদ্ধার হয়েছে রহিমা বেগমকে পুলিশ।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার এসআই লুৎফুল হায়দার।
উল্লেখ্য,২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে খুলনার দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা উত্তর বণিকপাড়া এলাকার বাসা-৩৫ নিজ বাড়ি থেকে পানি আনতে বাসা থেকে নিচে নামেন রহিমা। (রহিমা বেগম এর ১ম স্বামী মান্নান হাওলাদার ২য় স্বামী মৃত বেলাল হাওলাদার) ঘণ্টা পার হলেও তিনি বাসায় ফেরেননি। পরে মায়ের খোঁজে সন্তানেরা সব স্থানে খুঁজেও না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ১৪ সেপ্টেম্বর মামলাটি পিবিআইয়ে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)