
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাজশাহী জেলার অর্ন্তগত ঐতিহ্যবাহী উপজেলা বাগমারা।অত্র উপজেলার আয়তন ৩৬৬.৩০ বর্গ কিলোমিটার। বাগমারার মোট ভোটার সংখ্যা ৩লক্ষ ৫২হাজার ৯৬৮জন। এই উপজেলাটি তাহেরপুর,ভবানীগঞ্জ এই ২টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। ইউনিয়ন হচ্ছে গোবিন্দপাড়া, নরদাশ, দ্বীপপুর, বড়বিহানলী,আউচপাড়া, শ্রীপুর, বাসুপাড়া,কাচারী কোয়ালীপাড়া,শুভডাঙ্গা, মাড়িয়া, গনিপুর, ঝিকরা,গোয়ালকান্দি, হামিরকুৎসা , যোগিপাড়া ও সোনাডাঙ্গা।
আসন্ন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে সারা বাগমারায় বইছে উত্তাল নির্বাচনী হাওয়া। দীর্ঘদিনের জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আসন্ন স্থানীয় ইউপি নির্বাচন ব্যাপারে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বিবৃতি দিয়েছেন নভেম্বর ও ডিসেম্বরে সারা বাংলাদেশের স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করা হবে। নির্বাচন কে ঘিরে গ্রাম গঞ্জের চা ষ্টলে জমে উঠেছে চায়ের চুমুকে চুমুকে নির্বাচনী আড্ডা।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী গণ আলোচনা-সমালোচনা বিভিন্ন কলা কৌশলে নিজেদের প্রচার প্রচারণায় চালিয়ে যাচ্ছেন।
বিভিন্ন প্রার্থীগণ নিজের ঢোল নিজেই পিটিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও জনগণের মাঝে ব্যাপকভাবে প্রচার প্রচারণা করে যাচ্ছেন।
এই উপজেলায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রার্থীরা নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন পাওয়ার জন্য উপজেলা , জেলা,কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের দরজায় দরজায় কড়া নাড়ছে এবং নেতাদের মনোরঞ্জন করার জন্য বিভিন্ন কৌশল-অপকৌশল প্রয়োগ করে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না বিধায় বিএনপির প্রার্থীগণ ইউপি নির্বাচনে দলীয়ভাবে নিরব ভুমিকায় আছে।
তবে বিএনপি সমর্থন করা প্রার্থীগণ দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য কৌশলে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে নির্বাচনী মাঠ দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্য পদপ্রার্থীরা ইউপিতে সম্ভবনাময় নৌকার প্রার্থীর মনোরঞ্জনের জন্য, তিনার সমর্থন পাওয়ার জন্য গোপনে বিভিন্ন কৌশল-অপকৌশল করে যাচ্ছেন।
বাগমারা বাসীর একটাই চাওয়া আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন যেন অবাধ সুষ্ঠু,নিরপেক্ষ, উৎসবমুখর শান্তি-শৃঙ্খলাময় পরিবেশে সূম্পুর্ণ হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)