
স্নেহের ফাতু,
তোমার বার্তা আমি পেয়েছি।
প্রতিটি শব্দ,শুধু আমার চর্ম চক্ষু দিয়ে নয়,
অন্তর চক্ষু দিয়েও পড়েছি,অনুভব করেছি।
সবগুলো শব্দ যেন আমার কাছে এক 'অগ্নি-কবিতা' হয়ে এসেছে,
আর আমি তা স্ব-শব্দে আবৃত্তি করেছি।
প্রকৃতির মাঝে উচ্চস্বরে, কম্পিত কণ্ঠে
আমি সেই 'অগ্নি -কবিতা' আবৃত্তি করেছি!
আমি বাতাসের কাছে বলেছি,
"পৌঁছে দিও এ' কবিতা যেথায় তুমি যাবে,
বলে দিও তাঁকে
আমার মতো বিদ্রোহী যাঁকে পাবে।"
তুমি লিখেছ;
"আমি খ-তে খালেদ খুঁজি
র-তে খুঁজি রুমি,
এ-তে একাত্তর আর
ব-তে বাংলাদেশ, আপন জন্মভূমি!"
আমি জানি ;
তুমি এই শোষক,নোংরা সমাজ-সংস্কৃতির চোখ রাঙানো দেখতে পার না,
তবুও নিরুপায়-বন্দী,কিছু বলতে পার না।
কিছু বলার প্রতীক্ষায় থাকো,কবে আসবে সময়!
কবে আসবে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ!
সময় আসবে, বহুল প্রতীক্ষিত সময়।
তুমি স্বদেশ প্রেমে উজ্জীবিত, উদ্যমী-উতলা
দেহ-মন অসীম শক্তিতে আত্মভোলা।
চোখে "স্বপ্ন -অবিনশ্বর "
মুক্তির বাদল বাজে মনে,ভুলে যায় দিক-প্রান্তর।
ইচ্ছেগুলি কল্পনার রাজ্যে সহসা ছুটায় যুদ্ধের বহর,
গোলাবারুদে ছিন্নভিন্ন করে পাপিষ্ঠ দেহ শত্রু'র
মুছে ফেলে সব কলঙ্কের কালিতে আঁকা ভাগ্য রেখা
লেখা যত মিথ্যা ইতিহাস,
ভেঙে ফেলে সব অনিয়ম,দুর্নীতির আখড়া
যেখানে সকল অনাচারের বসবাস।
আমি জানি ;
এ' যুদ্ধ স্বাধীনতারূপ পরাধীনতা থেকে স্বাধীনতাকে ছিনিয়ে আনার জন্য,
এ' যুদ্ধ তুলে দিবে
প্রতিটি অনাহারীকে অন্ন,
বস্ত্র, বাসস্থান, প্রেম -প্রীতি
আর নিরাপদ জন-অরণ্য।
আর সেদিনই হবে তুমি ধন্য
এ' যুদ্ধ হবে বরেণ্য!
আজ আর নয়,
লিখব আবার,আসুক শুভক্ষণ,
এখানেই ইতি টানছি
শুভকামনায় তোমার বন্ধু সুজন।
পরিচয়:
নাম: মো: সুজন
শিক্ষার্থী,স্নাতক ৩য় বর্ষ, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
মোবাইল নং:০১৭৪২৬২৫৪৮১
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)