স্টাফ রিপোর্টার : লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার প্রতি বছরই সব কয়টি বাজারের ইজারা মুল্য লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। উপজেলা প্রশাসনের সঠিক নজরদারি না থাকায়, জনমনে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা যায়, গত বছরে সরকারি দরপত্র অনুযায়ী হাজিরহাট বাজার মূল্য ছিল ৫১,৫০০০০/ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৬১,৫০০০০/ টাকায় এসে দাড়িয়েছে। এতে করে চরম বিপদে রয়েছে জনসাধারণ। উপজেলার বেশিরভাগ অঞ্চল মেঘনা নদীর প্রবল ঘ্রাশে বিলীন হয়ে গিয়ে বাজারগুলো জন-মানব শূন্য হয়ে পড়েছে। এভাবে যদি প্রতি বছরই বাড়তে থাকে ইজারার মূল্য, তাহলে আরো জনশূন্য হয়ে পড়বে হাট-বাজার গুলো। এতে করে চরম লোকসান গুনতে হবে বাজার ইজারাদারদের। প্রতি বছর বাজারের দরপত্র আহবান করলেই একটি চক্র মহল পেছনে লেগে বাজার গুলোর ইজারা মুল্য বৃদ্ধি করে দেয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা বলেন, হাজিরাট বাজারের ফুটপাতে বসে আমরা কাঁচামাল বিক্রি করে ৩০০/ টাকা করে খাঁজনা দিতে হয়। আবারো যদি ইজারার মূল্য বৃদ্ধি পায়, তাহলে ব্যবসা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। এতে করে চরম হুমকির মুখে পড়বে আমাদের পরিবারগুলো। আমরা এই বিষয়গুলো বিবেচনা করে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ ব্যপারে কয়েক জন সাফ ইজারাদার দু:খ-ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, লাভের আসায় ধার-দেনা করে বাজার সাফ ইজারা নিয়ে অনেক টাকা লোকসান দিতে হয়। এভাবে করুনা নগর, চর লরেঞ্চ, করইতোলা ও তোরাবগঞ্জসহ উপজেলার সকল বাজারের একই দশা।
হাজিরহাট বাজার ইজারাদার ফারুক পালোয়ান বলেন, বাজারটি নিয়ম অনুযায়ী সরকার থেকে আমি ইজারা পেয়েছি। স্থানীয় কয়েক জন সাফ ইজারাদারকে বাজারটি বন্টন করে দিয়েছি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভাউচার দিয়ে টোল আদায় করছে। কিন্তু ইজারার মূল্য অধিক হওয়ায় আলোর মুখ দেখিনি। লোকসান গুনতে হয়েছে লাখ লাখ টাকা।
পরিশেষে ব্যবসায়ীরা বলেন, উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি গোচর জন্য আমরা কয়েক দিনের মধ্যে একটি মানববন্ধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)