মো.শিফাত মাহমুদ ফাহিম,বিশেষ প্রতিনিধি:আত্রাই উপজেলার নিকটস্থ সদুপুর গ্রামে অবস্থিত খাতুনে জান্নাত (রাঃ) মাদ্রাসায় এ ঘটনাটি ঘটে।ভুক্তভোগীর নাম মোছাঃ সুমাইয়া আক্তার (১২), পিতা- মোঃ আলী,গ্রাম সিংসাড়া আত্রাই,নওগাঁ। ভুক্তভোগীর "মা" মোছাঃ সাদিয়া আক্তার বাদী হয়ে নিকটস্থ থানায় হাজির হয়ে গত (২১ জুন) একটি ধর্ষণ চেষ্টার মামলা এজাহার করেন।
উক্ত মামলায় আসামী করা হয় ''খাতুনে জান্নাত (রাঃ) মাদ্রাসার শিক্ষক মীর মোঃ নূরনবী (৪৫), পিতাঃ-মীর মোজ আকবর আলী, সাং-বাঁকা, থানাঃ আত্রাই, জেলাঃ নওগাঁ।এজাহার সূত্রে জানা যায়,ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মোছাঃ সুমাইয়া আক্তার (১২) উক্ত মাদ্রাসায় ৬ মাস আগে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা শুরু করে।সেই সাথে মাদ্রাসার আবাসিক ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষে আবাসিক শিক্ষার্থী হিসাবে থাকত।
গত (২০ জুন) রাত্রী ১১.০০ ঘটিকার সময় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিলে আমার মেয়ে বাথরুমে যায়।বাথরুম শেষ করে বাহিরে আসতেই উক্ত মাদ্রাসার হুজুর মীর মোঃ নূরনবী (৪৫), আমার মেয়ের ডান হাত ধরে টানিয়া বাথরুমের পার্শ্বে হুজুরের কক্ষে নিয়ে যেয়ে খাটের উপর শুয়াইয়া গালে চুমু খায়।সেই সাথে আমার মেয়ের ইচ্ছের বিরুদ্ধে একপর্যায়ে জোরপূর্বক পড়নের পায়জামা খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করে।
আমার মেয়ে আসামী মীর মোঃ নূরনবীর ডান হাতের কবজিতে কামড় দিলে আসামী আমার মেয়েকে ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে আমার মেয়ে ভয় পেয়ে নিজের রুমে চলে আসে। অতঃপর আমার মেয়ে মাদ্রাসা হতে ২১ জুন সকাল ০৭.০০ ঘটিকার সময় একএকা বাড়িতে চলে আসে এবং কান্নাকাটি করতে থাকে।আমি তার কান্নাকাটির কারণ জানতে চাইলে একপর্যায়ে আমার মেয়ে বিস্তারিত খুলে আমায় বলে।
বিষয়টি নিয়ে আত্রাই থানার অফিসার্স ইনচার্জ এর সাথে মুঠোফোনে কথা বলা হলে তিনি বলেন,উক্ত ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।আমরা আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছি।
তবে এলাকাবাসী সহ কিছু মানুষের দাবি হুজুর সাহেব কে ফাঁসানো হয়েছে তিনি নির্দোষ।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)