
মোঃ সোহেল রানা(নওগাঁ) জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার সৈয়দপুর (সদুপুর) গ্রামে তৈরী হচ্ছে নকল প্রসাধনী সামগ্রী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পাল কসমেটিক্স, সিল্কি ব্রান্ডের বিভিন্ন ধরনের দেশি-বিদেশি মোড়কে প্রসাধনী সামগ্রী অবৈধ ভাবে উৎপাদন ও মোড়কজাত করে আসছে। যেগুলোর বিএসটিআইয়ের কোন প্রকার অনুমোদন নেই। উক্ত প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী শয়ন পাল (৩৮) নামের একজন ব্যক্তি।তিনি নিজেই প্রসাধনী সামগ্রীর ফর্মুলেশন দিয়ে থাকেন।যেখানে প্রসাধনী সামগ্রীর মত নিত্য প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ দ্রব্যাদি তৈরিতে একজন রেজিস্টার্ড অভিজ্ঞ কেমিস্ট প্রয়োজন সেখানে শয়ন পাল নিজেই কেমিস্টের দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি কেমিস্ট না হয়ে ও বছরের পর বছর প্রসাধনী সামগ্রী তৈরি করে আসছেন আর এতে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে ব্যবহারকারীরা।কিছু মহিলা কর্মী নিয়ে তিনি ভাড়া বাসায় গড়ে তুলেছেন অবৈধ এই কারখানা।প্রসাধনী তৈরী থেকে মোড়ক জাতকরণের মত বিভিন্ন কাজ করেন তারা।এগুলো প্রসাধনী সামগ্রী ব্যবহার করে মানুষ ত্বক ক্যান্সার থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সেই সাথে আর্থিকভাবে প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ জনগণ।
উক্ত প্রতিষ্ঠানে সাংবাদিক তথ্য সংগ্রহের জন্য গেলে শয়ন পাল সাংবাদিক কে সহযোগিতা না করে বিভ্রান্তিমূলক কথা বলতে থাকেন। এ বিষয়ে আত্রাই উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা (এসিল্যান্ড) শ্রীঃ অঞ্জন কুমার দাস কে অবহিত করা হলে উনি, পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিএসটিআই রাজশাহীতে যোগাযোগ করতে বলেন। তিনি আরও বলেন, কয়েক মাস আগেও পাল কসমেটিকসকে জরিমানা করা হয়েছিল। এখন সবাই সম্মিলিতভাবে অভিযান পরিচালনা করতে হবে তার অবৈধ কারখানায়।
এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি শয়ন পাল বছরের পর বছর অবৈধভাবে উক্ত ব্যবসাটি পরিচালনা করে আসছেন।আমরা প্রতিনিয়ত তার দ্বারা আর্থিক ও পরিবেশগত ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি ।আমরা তাই এই অবৈধ কারখানার উৎপাদন বন্ধের দাবি জানাই সরকারের কাছে।
শয়ন পাল এর বিষয় নিয়ে তার ভাড়া বাসার মালিক মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, আমার অগোচরে এমন অবৈধ ব্যবসা করে আসছেন তিনি।আমি বিষয়টি অবগত হওয়ার পর তাকে বাড়ি ছাড়ার নোটিশ দিয়েছি।
পরিশেষে এলাকার সচেতন মানুষদের দাবি তার অবৈধ কারখানা বন্ধের ও কারখানার মালিক প্রতারক শয়ন পাল কে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি প্রদানের।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ আব্বাস উদ্দিন। বার্তা সম্পাদক মুরাদুল আলম (নিশান)